নিজস্ব প্রতিবেদক:
এসময় সভাপতির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার বলেন, ‘সারা বিশ্বের অভিজ্ঞতা থেকে অনুমান করা যাচ্ছে চলতি শীতে করোনার অবনতি হতে পারে। এ কারণে এখন থেকেই সচেতন হতে হবে। এজন্য মাস্ক ছাড়া সব ধরণের দাপ্তরিক সেবা, বাজার করা, বেচাকেনা বন্ধ করতে হবে। এছাড়া চিকিৎসাসেবা ও দর্শনা জয়নগর চেকপোস্টে প্রশাসনের মনিটরিং জোরদার করা হবে। প্রয়োজনে একটি মনিটরিং টিম গঠন করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিভাগকে সহযোগিতা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। প্রশাসনসহ আমরা সকলেই স্বাস্থ্য বিভাগকে যেকোনো বিষয়ে সহযোগিতা করব। সকলকে সম্মিলিতভাবে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে পুরো জেলায় তদারকি করছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।’
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তারেক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম ভুঁইয়া, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন, জেলা শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান, জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) জাকির হোসেন, জেলা তথ্য অফিসার আমিনুল ইসলাম, সাংবাদিক শাহ আলম সনি, আহসান আলম, মেহেরাব্বিন সানভীসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমীকরণ প্রতিবেদন