অভিযোগ পাওয়ার চার দিনের মধ্যেই বিকাশের খোয়া টাকা উদ্ধার করল চুয়াডাঙ্গার পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ভুক্তভোগী হযরত আলীকে ডেকে তাঁর হাতে উদ্ধার করা ২৫ হাজার টাকা ফেরত দেন পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম।
জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের অফিসকক্ষে গত ৩১ শে ডিসেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দে দামুড়হুদা উপজেলার চন্দ্রবাস গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. হযরত আলী উপস্থিত হয়ে জানান যে, দামুড়হুদা থানাধীন কার্পাসডাঙ্গা মুচির বটতলা মোড়ে তাঁর একটি বিকাশ/ফ্লেক্সিলোডের দোকান আছে। গত ২২শে ডিসেম্ববর বিকাশে টাকা পাঠানোর সময় মোবাইল নম্বর ভুল করে ভুলবশত ২৫ হাজার টাকা অন্য বিকাশ নম্বরে চলে গিয়েছে এবং উক্ত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ আছে। তিনি উক্ত টাকা হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন।
পুলিশ সুপার তাঁর আকুতি অনুধাবন করে বিষয়টি পুলিশ সুপারের কার্যালয় অবস্থিত সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল চুয়াডাঙ্গার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলামকে হারানো টাকাগুলি দ্রুত উদ্ধারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন। সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত এএসআই(নিরস্ত্র)/মো. রজিবুল হক উক্ত অভিযোগের দায়িত্ব গ্রহণ করে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে টাকাগুলি উদ্ধারের জন্য আন্তরিকতার সাথে কাজ শুরু করেন। অবশেষে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, চুয়াডাঙ্গার চৌকস টিম উক্ত বিকাশ অ্যাকাউন্টধারীকে খুঁজে বের করেন। সে জানায়, তাঁর সিমকার্ড বিগত দেড় বছর পূর্বে মোবাইল ফোনসহ হারিয়ে পরবর্তীতে সিম রিপ্লেসমেন্ট করা হয়নি। পরবর্তীতে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের চৌকস টিম সিমটি রিপ্লেসমেন্ট করে ২৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে।
পরে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় পুলিশ সুপার ভুক্তভোগী হযরত আলীকে পুলিশ সুপারের কার্যালয় ডেকে তাঁর হাতে আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে তাঁর টাকা ফেরত দেন। এসময় হয়রত আলী হারানো টাকা পুনরায় ফিরে পেয়ে আনন্দে আপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি পুলিশ সুপার এবং সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।
সমীকরণ প্রতিবেদন
