ঝিনাইদহে নৌকার পক্ষে ভোট করায় তিন তিনবারের নির্বাচিত সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রহিমা বেগমকে লাািঞ্চত করেছে প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীরের সমর্থকরা দায়ী বলে অভিযোগ করেন রহিমা। এসময় হামলাকারীরা তার গলার চেইন ও নগদ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগও করেন তিনি। জানা গেছে, রহিমা বেগম একজন অসহায় ও হতদরিদ্র মহিলা। তিনি ইউপি সদস্য হয়েও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে আয়ার কাজ করেন। তার উপর এই হামলায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রহিমা বেগম অভিযোগ করেন, তার বোন পূবালী ব্যাংক থেকে সোমবার দুপুরে ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন। ঝিনাইদহের পূবালী ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিয়ে বাজার করার জন্য তিনি বড়কামারকুন্ডু গ্রামের আলীমুদ্দীর মুদির দোকানে যান। এ সময় বড়কামারকুন্ডু গ্রামের আক্তার রহিমাকে পাশে ডেকে নিয়ে অশ্বালীন কথা বলে। রহিমা এ কথার তীব্র প্রতিবাদ করলে আক্তার ও ঝন্টু তাকে কিল ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে আক্তার তার বুকের উপর পা উঠিয়ে দেয়। এতে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। আশপাশের দোকানদাররা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে ভর্তির পর রহিমা দুইবার বমি করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে চিকৎসকরা তাকে ফরিদপুর মেডিকেলে রেফার্ড করে। এ বিষয়ে তিনি রাতেই মামলা করার কথা জানিয়েছেন।
সমীকরণ প্রতিবেদন