চুয়াডাঙ্গা সদরের গহেরপুর মাঠপাড়ায় তিতুদহ ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হুকি আমজাদের বিরুদ্ধে অন্যের স্ত্রীর ঘরে প্রবেশ করে গ্রামবাসীর তাড়া খেয়ে কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় গতকাল শনিবার দর্শনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও গহেরপুর গ্রামের বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতা আমজাদ হোসেন গত শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে প্রতিবেশী মিজার আলীর বসতঘরের ছাদ দিয়ে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করে। বাড়ির লোকজন টের পেয়ে দৌঁড়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত আমজাদ হোসেন। এর আগে একই ঘটনা ঘটিয়ে পরে সালিশের মাধ্যমে এরকম কাজ আর না করার প্রতিশ্রুতিতে বিষয়টি মীমাংসা করা হয় বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।
মেয়ের বাবা জানায়, ‘অভিযুক্ত আমজাদ হোসেন তার সম্পর্কের ভাই হয়, সেই সুবাদে আমার মেয়ে আমজাদ হোসেনের মেয়ে হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে আমজাদ আমার মেয়ের দিকে কুনজর ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। চক্ষুলজ্জায় বিষয়টি কাউকে না বলাতে গত শুক্রবার রাত দশটার দিকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বসত বাড়ির ছাদ দিয়ে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করে এ সময় বাড়ির লোকজন টের পেয়ে গেলে সে পালিয়ে যায়।’ বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে অভিযুক্ত আমজাদ হোসেন। তাই আইনের সহায়তা চেয়ে গতকাল দর্শনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি ।
এই বিষয়ে গড়াইটুপি পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান রাজু জানান, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। আমজাদ হোসেন একজন দুশ্চরিত্র মানুষ তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।’
সমীকরণ প্রতিবেদন