চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন জালিয়াতির অভিযোগে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের এক উদ্যোক্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ| গত শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তাদের গ্রেফপ্তার করা হয়| গতকাল শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে|
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রায়হান মাহমুদ (৩৫) এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলাম (৩০)|
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রায়হান মাহমুদ ও আরিফুল ইসলাম ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধনসহ বিভিন্ন অনলাইনভিত্তিক সেবার কাজ করতেন| গত বৃহস্পতিবার এক অজ্ঞাত ব্যক্তি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্রের কাছে অভিযোগ করেন যে, বেগমপুর ইউনিয়নে বিধিবহির্ভূতভাবে জন্ম নিবন্ধন ˆতরি করা হচ্ছে|
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে দেখা যায়, প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র ছাড়াই সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার মোহাম্মদ শহিদ মিয়া এবং কুমিল্লা জেলার বিল্লাল নামে দুই ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছে| তাদের বর্তমান ঠিকানা হিসেবে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের হরিশপুর গ্রামের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়| পরে সরেজমিন তদন্তে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই দুই ব্যক্তি হরিশপুর গ্রামের বাসিন্দা নন এবং এলাকাবাসী তাদের চেনেন না| অভিযোগ রয়েছে, গত ৭ মার্চ ও ১২ মার্চ আসামিরা বিধিবহির্ভূতভাবে এসব জন্ম নিবন্ধন সম্পন্ন করেন| এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে আরও ভুয়া জন্ম নিবন্ধন ˆতরির অভিযোগ রয়েছে|
বিষয়টি লিখিতভাবে জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা| জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়|
দর্শনা থানার পরিদর্শক হিমেল রানা জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে|
দর্শনা অফিস