ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন, আজ রিপোর্ট প্রদান
- আপলোড তারিখঃ
২৯-০৯-২০১৯
ইং
আলমডাঙ্গার পাইকপাড়ায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আলমডাঙ্গা উপজেলার পাইকপাড়ায় ধর্ষণের শিকার তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে গাইনি কনসালট্যান্ট ডা. আকলিমা খাতুন ওই স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা করেন। আজ রোববার ওই ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যাবে।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের গাইনি চিকিৎসক ডা. আকলিমা খাতুন জানান, আজ (গতকাল) সকালে শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষায় শিশুটির শরীরে ইন্টারকোর্স সিম্পটম পাওয়া গেছে। আগামীকাল (আজ) রোববার শিশুটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার সব রিপোর্ট প্রদান করা হবে। শিশুটি এখনো চিকিৎসাধীন আছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শামীম কবির বলেন, শিশুটির সব ধরনের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। প্যাথলজিসহ অন্যান্য পরীক্ষার ফলাফলপ্রাপ্তি সাপেক্ষে আগামীকাল রোববার (আজ) ধর্ষণ হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলা যাবে।
এ প্রসঙ্গে চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান বলেন, আজ (গতকাল) সকালে ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। প্যাথলজিসহ যাবতীয় সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল পেলে শিশুটির ধর্ষণের বিষয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার ঘোলদাঁড়ি পাইকপাড়া গ্রামের হঠাৎপাড়ার দিনমজুরের মেয়ে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ফুঁসলিয়ে একটি স্যালোমেশিন ঘরের মধ্যে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে একই এলাকার মারফত আলীর ছেলে আহমদ আলীর বিরুদ্ধে। পরে স্কুলছাত্রী বিষয়টি পরিবারের কাছে জানালে তার পরিবারের সদস্যরা ওই রাতেই তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আহমদ আলী পলাতক রয়েছেন।
কমেন্ট বক্স