চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা আ.লীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তির প্রতিবাদে পাল্টা বিবৃতি
- আপলোড তারিখঃ
১৯-০৯-২০১৯
ইং
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তির প্রতিবাদ জানিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আসাদুল হক বিশ্বাস তাঁর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল। এ দলের নির্দিষ্ট একটি প্রতীক আছে, যে প্রতীকটির নাম নৌকা। গত উপজেলা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা উপজেলা প্রার্থীদের নৌকা প্রতীক মনোনয়ন দিয়েছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, দলের চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ ও থানা আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ কতিপয় নেতা তাদের ব্যক্তিস্বার্থে দলীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়ে আনারস মার্কায় নির্বাচন করান এবং সেই কারণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে ওই সব ব্যক্তিদের নামে কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠানো হয়। কেন স্থায়ীভাবে দল থেকে তাদের বহিষ্কার করা হবে না, এ বিষয়ে নৌকা প্রতীকের পক্ষের নেতা-কর্মীদের ওপর বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখিয়ে ত্রাশ সৃষ্টি করেছে। যা সম্পূর্ণ দলীয় গঠনতন্ত্রবিরোধী। আবার তারাই নির্লজ্জভাবে পত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অপকর্ম ঢাকার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
এ পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, থানা ও পৌর কমিটি গঠন অব্যাহত রয়েছে। প্রকাশ থাকে যে, নির্বাচনে যারা নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে আনারস মার্কা প্রতীক এ অবস্থান নিয়েছিলেন, তারাই অসৎ উদ্দেশ্যে নিজের স্বার্থ হাছিল করার জন্য ত্যাগী নেতাদের বঞ্চিত করে ঘরে বসে নিজেদের মনগড়া পকেট কমিটি গঠন করছে। তার মধ্যে অধিকাংশ আওয়ামী লীগ-বিরোধী বিএনপি ও জামাতপন্থী কর্মী। যা সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্র পরিপন্থী। তাই প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত নেতৃবৃন্দ তাদেরকে বয়কট করে প্রতিবাদ স্বরূপ দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ে নিজেরাই ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের কমিটি করতে বাধ্য হচ্ছে।
উল্লেখ্য যে, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ কমিটি করার দায়িত্ব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের। তারা তাদের কর্মী সমাবেশে অতিথি হিসেবে সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের আমন্ত্রণ জানাতেই পারে। সেই হিসেবে কর্মী সমাবেশে জেলা ও থানার নেতৃবৃন্দের উপস্থিত থাকাটাই স্বাভাবিক। অথচ স্থানীয় পত্রিকায় একজন জেলা নেতার (সহসভাপতি) বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে যে কমিটি গঠন করার খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি এ সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
কমেন্ট বক্স