অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই, শিক্ষকের ভুল স্বীকার
- আপলোড তারিখঃ
২৫-০৬-২০১৯
ইং
দর্শনায় শিক্ষক রাজার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে সালিশ বৈঠক
দর্শনা অফিস: দামুড়হুদার পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের জিরাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আল হেলাল রাজার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগে সালিস-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে নয়টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এ সালিস-বৈঠকে অভিযোগ প্রমাণিত না হলেও শিক্ষক রাজা ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে নেন।
জানা গেছে, দামুড়হুদার পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের জিরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগ ওঠে একই বিদ্যালয়ের শিক্ষক আল হেলাল রাজার বিরুদ্ধে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সালিস-বৈঠকের আয়োজন করা হয়। উক্ত সালিস-বৈঠকে অভিযোগকারী কোন প্রমাণ পেশ করেত ব্যর্থ হন। সালিসে প্রমাণিত হয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ব্যক্তিগত আক্রোশের বর্হিপ্রকাশ মাত্র। তবে এ ঘটনা সবার কাছে রটানোর অভিযোগ ওঠে একই বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা জাহিরুন নেসা শিল্পির বিরুদ্ধে। অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা জাহিরুন নেসা শিল্পির কারসাজিতে এ অপবাদ রটানোর অভিযোগ প্রমাণিত হয়। পরে সালিস-বৈঠকে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের নবাগত প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শরীফ উদ্দিনসহ ওই গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মিমাংসা করে দেন।
অভিযুক্ত শিক্ষক আল হেলাল রাজা বলেন, বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা জাহিরুন নেসা শিল্পির কারসাজিতে আমার বিরুদ্ধে অপবাদ রটানো হয়েছে। তারপরও আমার সহকর্মী হওয়ায় আমি তাঁেক ক্ষমা করে দিলাম।
বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা জাহিরুন নেসা শিল্পি বলেন, আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সঠিক নয়।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শরীফ উদ্দিন বলেন, উত্থাপতিত অভিযোগের কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। তারপরেও শিক্ষক রাজা সবার নিকট ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলামেরর উপস্থিতিতে আমরা বিষয়টি মিমাংসা করে দিয়েছি।
কমেন্ট বক্স