দর্শনার আল আমিন আবাসিক হোটেল দিনে দুপুরে চুরি
- আপলোড তারিখঃ
৩১-০৫-২০১৮
ইং
দর্শনা অফিস: দর্শনায় আল আমিন আবাসিক হোটেল থেকে ভ্রাম্যমাণ লুঙ্গি ব্যাবসায়ীদের রুমের তালা ভেঙ্গে ৬২ হাজার টাকা চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীরা হোটেল ম্যানেজার আব্দুর রশিদকে সন্দেহ করছে। জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে কুষ্টিয়া খুকসা এলাকার সাতপাখিয়া গ্রামের ৬ জন ভ্রাম্যমাণ লুঙ্গি ও গামছা ব্যবসায়ীরা তাদের মালামাল নিয়ে গত সোমবার দর্শনা রেল বাজার আল-আমিন আবাসিক হোটেলে ওঠে। সারাদিন গ্রামে গ্রামে ওই সকল মালামাল বিক্রি করে আবার সন্ধ্যায় হোটেলরুমে ফিরে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সকালে হোটেলের রুম তালাবদ্ধ করে তারা ৬ জন রুম থেকে বেরিয়ে পড়ে। বিকালে রুমে ফিরে দেখে তাদের দু’টি রুমের তালা ভাঙ্গা রয়েছে এবং অন্য তালা মারা রয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা রুমের ভিতরে ঢুকতে না পারায় ম্যানেজার আব্দুর রশিদকে ডাকে।
ম্যানেজার ও মালিক সেলিম ভুঁইয়া ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই বলেন, তোমাদের রুমের তালা ভেঙ্গে জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। তাই আমরা নতুন তালা মেরে রেখেছি। এ সময় রুমের তালা খুলে বিছানার চাদরের নিচে থাকা ৫ জনের নগত ৬১ হাজার ৭শ’ টাকা ও ৪ পিচ লুঙ্গি চুরি হয়ে গেছে বলে জানায় ব্যবসায়ীরা। এর মধ্য কুষ্টিয়া খুকসা এলাকার সাতপাখিয়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে আনোয়ার হোসেনের ১৫ হাজার টাকা, একই এলাকার বাবুল দেওয়ানের ছেলে মশিউর রহমানের ১৩ হাজার টাকা, আব্দুল মজিদের ছেলে সানোয়ারের ১২ হাজার টাকা, আবুল বাশারের ছেলে ১২ হাজার টাকা, হাসান আলীর ৯ হাজার ৭শ’ টাকা ও মেছের মল্লিকের ছেলে জাকারিয়ার ৪টি লুঙ্গি চুরি হয়।
এ বিষয়ে ওই হোটেলের ম্যানেজার আব্দুর রশিদের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি সব সময় হোটেলের মেইন স্থানে বসে থাকি। এমন কাউকে হোটেলে ঢুকতে দেখিনি। হঠাৎ দুপুরের দিকে রুম পরিদর্শনে গিয়ে দেখি দোতালার দুইটি রুমের তালা ভাঙ্গা। সাথে সাথে মালিককে খবর দিলে তিনি এসে অন্য দুইটি তালা নিয়ে এসে স্ব-স্ব রুমে নতুন তালা মেরে রাখে। মালিকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার হোটেলে বাইরের কোন লোক আসে না। এটা ওই ব্যবসায়ীদের মধ্যরই কারো কাজ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনাটি বাজার কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মিমাংসা করে দিয়েছে বলে জানা গেছে।
কমেন্ট বক্স