পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা
- আপলোড তারিখঃ
২৮-০৫-২০১৮
ইং
জীবননগরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান
জীবননগর অফিস: জীবনননগরে ৫ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিককে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরি ও পঁচা বাসি মিষ্টি বিক্রি করা, মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু খাবার রাখা ও মিষ্টির কার্টুনের ওজন বেশি থাকায় তাদেরকে এ জরিমানা করা হয়েছে। তবে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার সময় জাতীয় ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তা সজল আহম্মদের বিরুদ্ধে এক ব্যবসায়ীর জব্দকৃত মালামাল ধবংস না করে তা প্যাকেটে ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম রেজা জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনে জীবননগর বাজারে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গার কর্মকর্তা সজল আহম্মেদ, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে¬েক্সর স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মোহা. আনিছুর রহমান ও জীবননগর থানা পুলিশ সদস্যরা।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সুত্রে জানা গেছে, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৫১ ধারার অভিযোগ স্বীকার করায় মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর ৭(২) ধারার বিধানমতে, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৫১ ধারায় জীবননগর বাজারের মোল্লা হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্টের মালিক জমির মোল্লাকে ৩ হাজার টাকা, আলম ফল ভান্ডারের মালিক আলমকে ৫শ’ টাকা, সালাম হোটেলের মালিক আব্দুল সালামকে ২ হাজার টাকা, ঘোষ সুইটস’র মালিক পল্লব ঘোষকে ১ হাজার ৫শ’ ও সাতরং স্টোরের মালিক মিজানুর রহমানকে ৭ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
সাতরং স্টোরের মালিক জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তাসহ অন্যান্যরা আমার দোকান থেকে প্রায় ৫ হাজার টাকার পণ্য জব্দ করেন। জব্দকৃত মালামালের মধ্যে ২-৩টি পণ্যের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও বাকি সবগুলো পণ্যের মেয়াদ থাকা সত্বেও তা জব্দ করেন। অন্যদিকে জব্দকৃত মালামাল ধবংস না করে প্যাকেট ভর্তি করে নিয়ে যায়। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপস্থিত ছিলেন না। এ ব্যাপারে ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তা সজল আহম্মেদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম রেজা জানান, ভ্র্যামাণ আদালত পরিচালনার কিছুক্ষণ পরেই আমি জরুরি কাজে অফিসে চলে আসি। আদালতে জব্দকৃত মালামাল ঘটনাস্থলেই জনসম্মুখেই ধবংস করার নিয়ম। ভোক্তা আইনের কর্মকর্তা যদি জব্দকৃত মালামাল নিয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আইন বহির্ভূত কাজ করেছে। আমি খুব শিঘ্রই তাকে আবার জীবননগরে আনার ব্যবস্থা করবো। এদিকে সরকারী কর্মকর্তার এহেন কান্ড দেখে ব্যবসায়ীরা হতবাক হয়ে পড়েছে ।
কমেন্ট বক্স