চুয়াডাঙ্গার শপিং মলগুলোতে শোভা পাচ্ছে ঈদের পোশাক
- আপলোড তারিখঃ
২৩-০৫-২০১৮
ইং
কী উঠেছে তা দেখতে ভিড় বেশি
ফেরদৌস ওয়াহিদ: চুয়াডাঙ্গার শপিং মলগুলো পুরোপুরি না জমলেও কী উঠেছে, তা দেখার জন্য ভিড় হচ্ছে। সবে ছয় রমজান। ১০ রোজার পর ক্রেতাদের ভিড় বাড়ার আশা ব্যবসায়ীদের। দেশীয় বুটিকস ও বিদেশি পোশাক আমদানি করা দোকানগুলোয় এখন থেকেই ঈদের পোশাক শোভা পাচ্ছে। মেয়েদের পোশাকের রং, কাট ও নকশায় কিছুটা ভিন্নতা এসেছে। আর ভিনদেশি নামকরণের বাহারি পোশাকের চাহিদা এবারও তুঙ্গে। হোক কুর্তি, কামিজ কিংবা টপ। কুঁচি দেওয়া নকশা প্রায় সবখানেই। চুয়াডাঙ্গা শহরের বেশ কয়েকটি বুটিক শপ ঘুরে দেখা যায়, ছোট-বড় প্রায় সব ধরনের পোশাকেই কুঁচি আছে। কামিজ বা কুর্তির নিচের দিকে ছাড়াও হাতায় বাহারি ধরনের কুঁচি দেখা যাচ্ছে এখনকার পোশাকগুলোয়। ঈদে এবার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলতে নানা ধরনের কুঁচিটাই প্রাধান্য পেয়েছে।’
চুয়াডাঙ্গা সমবায় নিউ মাকের্টে দেখা গেল টপ, কুর্তির বেশ চাহিদা। এখানকার এক বিক্রয় সহযোগী জানান, ঈদের প্রায় সব নকশাই চলে এসেছে। এবার লম্বাটে ধাঁচের পোশাক বেশি চলছে। এ ছাড়া ছোট টপের সঙ্গে একটু ঢোলা আকৃতির বিভিন্ন নকশার প্যান্টও চলছে বেশ। তবে এসব পোশাকের মূল ক্রেতা তরুণীরা। আর বর্ষা মৌসুম বলে সুতির পোশাকের চাহিদা অনেক। পোশাকের এক ব্র্যান্ড সেইলর বলেন, তাঁরা সিল্কের ওপরে বিভিন্ন নকশার পোশাক এনেছেন। আরও জানালেন, এবার হালকা রঙের পোশাকের চাহিদা বেশি।
চুয়াডাঙ্গা নিউ মার্কেটের বিভিন্ন শপে ঘুরছেন আফসানা ও শিউলি শারমিন। আফসানা বলেন, ‘সময়ের কথা চিন্তা করে পোশাক কিনতে হবে। এবার যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে ঈদেও একই রকম থাকবে। সে জন্য সুতির পোশাক কিনব। তবে ঈদে তো জমকালো একটি পোশাক কিনতেই হয়। সেই জমকালো পোশাক হিসেবে আফসানা ও শিউলি শারমিন পছন্দ গাউন। সমবায় নিউ মার্কেটের এক ব্যবসায়ী জানান, এখন তেমন ভিড় নেই। ক্রেতারা এসে ঘুরে যাচ্ছেন। কুর্তি কিছু বিক্রি হয়েছে। ১০ রোজা পার হাওয়ার পর বোঝা যাবে বেচাকেনার হাল। ‘বারবি গাউন’ নামের পোশাকের চাহিদা এবার বেশ।
চুয়াডাঙ্গা শহরের সমবায় নিউ মার্কেট, প্রিন্স প্লাজা, পুরাতন গলি, আব্দুল্লাহ সিটিতে ঘুরে দেখা গেল, পোশাক সাজিয়ে ক্রেতার অপেক্ষায় বিক্রেতারা। কেউ ঘুরে দেখছেন কী ধরনের পোশাক উঠেছে। পছন্দ হলে কেউ কেউ কিনেও নিচ্ছেন।
কমেন্ট বক্স