বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

দামুড়হুদার বাবুল অপহরণের ঘটনায় দয়াল ও ময়েন আটক

  • আপলোড তারিখঃ ৩০-০৪-২০১৮ ইং
দামুড়হুদার বাবুল অপহরণের ঘটনায় দয়াল ও ময়েন আটক
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কালিয়াবকরির বাবুলকে রেল ষ্টেশন এলাকা থেকে তুলে নিয়ে মারধর করে টাকসহ স্বর্ণের চেন কেড়ে নেওয়ার ঘটনায় জ্বীনতলা মল্লিকপাড়ার দয়াল ও ময়েনকে আটক করেছে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ। গত শনিবার বিকাল ৫টার দিকে চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের শেকড়াতলা মোড় থেকে তাদেরকে আটকসহ বাবুলকে উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় গতকাল রোববার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাবুল নিজেই বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মামলা করলে আটক দয়াল ও ময়েনকে আদালতে প্রেরণ করে সদর থানা পুলিশ। পুলিশ সুত্রে জানা যায়, দামুড়হুদা কালিয়াবকরি গ্রামের গোলাম মালিথার ছেলে বাবুল গত শনিবার রেল ষ্টেশনে টিকিট কাটতে আসে। এসময় পৌর শহরের জিনতলা মল্লিকপাড়ার দৌলৎ আলী মন্ডলের ছেলে দেলোয়ার হোসেন দয়াল ও সিরাজুল ইসলামের ছেলে ময়েনসহ কয়েকজন তাকে পৌর এলাকার শেকড়াতলা মোড়ে তুলে নিয়ে যায়। একই সাথে তাকে মারধর করে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে আটক আহত বাবুলকে উদ্ধার করে। একই সাথে ঘটনার সাথে জড়িত দয়াল ও ময়েনকে আটক করে থানা হেফাজতে নেন। বাকিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানায় পুলিশ। এদিকে এঘটনাই চিকিৎসাধীন বাবুল বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে আটককৃত আসামীদের আদালতে প্রেরণ করা হয়। আহত বাবুল অভিযোগ করে বলেন, আমার বাড়ি গ্রামে হওয়ায় বেশকিছুদিন ধরে দয়াল ও ময়েন আমার কাছে টাকা চাই। মটর সাইকেলের তেলসহ সিগারেট কিনে দিতে বলে। মাঝেমাঝে পকেটে হাত দিয়ে ৫শ, ১হাজার যা থাকে তাই নিয়ে নেই। ওদের অত্যাচারে চুয়াডাঙ্গা শহরে লুকিয়ে আসতে হয়। গত এক মাস আগে ভালাইপুর মোড়ে একটি মিলাদের অনুষ্ঠানে গেলে ওরা লোক মারফত আমাকে ডাকে। সে দিন আমি কোন রকম পালিয়ে যায়। ঢাকাই যাওয়ার জন্য গত শনিবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা রেল ষ্টেশনে টিকিট কাটতে আসি এসময় দয়াল ও ময়েনসহ আর কয়েকজন আমাকে বেধড়ক মারধর করে। পরে ওরা আমাকে শেকরাতলা মোড়ে তুলে নিয়ে যায়। সেখানে আমাকে মারধর করাসহ একটা ঘরে বন্দি করে রাখতে চাই। এ সময় আমার কাছে থাকা ৫হাজার টাকা ও ১ভরি ওজনের স্বর্ণের চেন কেড়ে নেই। পরে সুযোগ বুঝে আমি আমার স্ত্রীকে ফোন দিই। আমার স্ত্রী চুয়াডাঙ্গা সদর থানাই খবর দিলে পরে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে আমাকে উদ্ধার করে।


কমেন্ট বক্স
notebook

সীমান্তে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পৃথক অভিযানে ১৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জব্দ