চুয়াডাঙ্গায় ব্লাস্ট রোগে ৫ হাজার হেক্টর জমির ধান নষ্ট
- আপলোড তারিখঃ
১৮-০৪-২০১৮
ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক: গত কয়েক বছর ধরে ব্রি-২৮ ধান নেক ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হচ্ছে চুয়াডাঙ্গায়। কৃষকরা বলছেন, ধানের শিষের নিচের অংশে, থোড়ে ও পাতায় কালো দাগ হয়ে পচন ধরছে। শুকিয়ে যাচ্ছে ধানের শিষ এবং ধান চিটা হয়ে যাচ্ছে। ‘চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার তালহা জুবায়ের জানান, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগরসহ এ জেলায় প্রায় (৪৫ হেক্টর ) ৫শ’ বিঘা জমির বোরো -২৮ জাতের ধান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তবে, চাষীরা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা বলছেন সারা জেলায় প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ধান ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কৃষকরা বলছেন ধানের শিষের নিচের অংশে, থোড়ে ও পাতায় কালো দাগ হয়ে পচন ধরছে ও শুকিয়ে নষ্ট হয়েছে। ব্লাস্ট রোগের কারণে বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২৫ মন ধানের বদলে, এখন পাওয়া যাবে যাচ্ছে ধানের বদলে চিটা ও বিচালী। এতে শোধ হবে না কৃষি বিভাগের ঋণের টাকা। তবে, কৃষি বিভাগের ফিল্ড সুপারভাইজার বলছেন, যে সমস্থ জমিতে এখনও ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়নি, যেখানে ছত্রাকনাশক কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। চুয়াডাঙ্গায় এ বছর ৪৫ হাজার হেক্টর জমিতে ব্রি-২৮ ধানের আবাদ হয়েছে। চাষিরা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ব্লাস্ট প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ধান নষ্ট করেছে। ব্লাস্ট রোগের কারণে বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২৫ মন ধানের বদলে কৃষকরা এখন পাবে মাত্র ৪ থেকে ৫ মন ধান। এতে শোধ হবে না তাদের ঋনের টাকা। তবে, যেসব জমিতে এখনো ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়নি সেখানে কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ ।
কমেন্ট বক্স