বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

ধানে ব্লাস্ট রোগ : জীবননগরের কৃষকদের মাথায় হাত

  • আপলোড তারিখঃ ০৫-০৪-২০১৮ ইং
ধানে ব্লাস্ট রোগ : জীবননগরের কৃষকদের মাথায় হাত
জাহিদ বাবু/মিঠুন মাহমুদ: জীবননগরে নেক ব্লাস্ট ও হেড ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হচ্ছে ধান। ২০ বিঘা জমির ধানে ব্লাস্ট রোগ হয়েছে। এ বছরের প্রথম দিক থেকে আবহাওয়া ভালো থাকায় ধান দেখে কৃষকদের মুখে হাসি দেখা দিলেও মাঝে বৃষ্টি ও ঝড়ের কারনে ধানে ব্লাস্ট রোগ দেখা দেওয়ায় ধান চাষিদের মাথায় হাত। আর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষকদের ধানে চাষে বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, এ বছরের প্রথম দিক থেকে আবহাওয়া ভালো থাকায় ধানের তেমন কোন ক্ষয় ক্ষতি দেখা না গেলে গত কয়েক দিন আগে ঝড়ো হাওয়া ও হালকা বৃষ্টি হওয়ার ফলে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের কয়া গ্রামে বেশ কয়েক জন কৃষকের ধানে ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে জনসচেতনতা গড়তে উঠান বৈঠক, লিফলেট বিলিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কৃষকদের মাঝে ধানে ব্লাস্ট রোগ সম্বন্ধে ধারনা দেওয়া হচ্ছে এবং এই রোগের প্রতিরোধক ঔষধ হিসাবে নাটিভো ও জিংক দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এদিকে সরেজমিনে সীমান্ত ইউনিয়নের কয়া গ্রামের সুতার মাঠে পরিদর্শন কালে কৃষক শরিফুল, ফারুক হোসেন, হাফিজুর রহমান, রবগুল, রাজা, গোলাম ও হাপুর সাথে কথা বললে তারা বলেন, দির্ঘ দিন যাবৎ ধান চাষ করছি কোন দিন ধানে এ ধরনের সমস্যা দেখিনি এ রোগটি দেখেছি গমে হতে কিন্তু ধানে হতে দেখিনী, ধান গাছ যেমন তেমন আছে কিন্তু ধানের শীর্ষ পুড়ে নষ্ঠ হয়ে গেছে যার ফলে ধানের গাছ থাকলেও ধানের উপরি ভাগটি সম্পন্ন চিটে হয়ে গেছে। এ বছরের প্রথম দিক থেকে ধান দেখে ভালো ফলনের আশা ছিল কিন্তু গত কয়েক দিন আগে হালকা বৃষ্ঠি ও ঝড় হওয়ার ফলে ধানে ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। যে ভাবে ধানে ক্ষতি হয়েছে তাতে লাভের চেয়ে লোকসান গুনতে হবে। এ ব্যাপারে জীবননগর উপজেলার সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মুন্সী আব্দুল সালেহ জানায়, এ বছর উপজেলার যে সুন্দর ধান হয়েছিল তা চোখে পড়ার মত কিন্ত মাঝে ঝড় ও হালকা বৃষ্টির কারনে এবং দিনে গরম আর রাতে ঠান্ডা পড়ায় এ উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের কয়া গ্রামের ধানে নেক ব্লাস্ট ও হেডব্লাস্ট ছত্রাকজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। নেক ব্লাস্ট ধানের কান্ডে কালো আকার ধারণ করে যার ফলে ধানের শীষ পুড়ে যায়।আর হেডব্লাস্ট ছত্রাক ধানের শীষের উপরের অংশ থেকে শুকাতে শুরু করে নিচের অংশ পর্যন্ত শুকিয়ে যায়। তবে কৃষকরা যদি ধানে নাটিভো ব্যবহার করে তা হলে কৃষকরা ধানে ব্লাস্ট রোগ থেকে পরিত্রাণ পাবে।


কমেন্ট বক্স
notebook

সীমান্তে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পৃথক অভিযানে ১৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জব্দ