বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় ফাস্ট ফুডের দোকানে অভিনব কায়দায় চুরি

  • আপলোড তারিখঃ ১৬-০২-২০১৮ ইং
চুয়াডাঙ্গায় ফাস্ট ফুডের দোকানে অভিনব কায়দায় চুরি
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার সাম্পান ফাস্ট ফুড নামে একটি দোকানে ক্রেতা সেজে অভিনব কায়দায় দু’কোটা প্রাইমা-১ দুধ চুরি। কিছু সময় পর হাসপাতাল রোডে চুরি করা দুধ বিক্রি করতে গেলে কয়েকজনের সন্দেহ হয় এসময় কৌশলে দুধ ফেলে সটকে পড়ে চোর। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার সময় দোকান মালিক নামাজে গেলে কর্মচারীদের উপস্থিতিতে ঘটে এ ঘটনা। সিসি ক্যামেরার ছবি দেখে চোরের নাম ঠিকানা জানতে না পারলেও সে এ ধরনের ঘটনা কয়েকবার ঘটিয়েছে বলে জানা যায়। জানা যায়, এ ধরনের ছিচকে চোরের উৎপাত দিন দিন বেড়েই চলেছে। কোন মতে এদেরকে আটক করা বা আইনের আওতায় আনতে পারছে না প্রশাসন এমনটাই মনে করছে ভুক্তভোগী কয়েকজন। গত কয়েকদিন আগে ফেরিঘাট রোড থেকে দু লাখ টাক চুরিসহ বড় বাজারে এ ধরনের ঘটনা কয়েকবার ঘটেছে বলে জানা যায়। সাম্পানে চুরি করা ব্যাক্তি ভালইপুর বাজারে এক দোকান থেকে একই কায়দায় প্রাইমা-২ দুধ চুরি করে পালিয়ে যায় বলে জানান সাম্পান ফাস্ট ফুড দোকানের মালিক ওবাইদুর রহমান খোকন। এসময় তিনি আরো জানান, আমি মাগরিবের নামাজ পড়তে যায় এ সময় দোকানে দু’জন কর্মচারী ছিলো সম্্রাট ও ছাব্বির। চোর স¤্রাট এর কাছে এসে দু’কোটা প্রাইমা-১ দুধ চাই যার বাজার মূল্য ১হাজার ১শ টাক। চোর দুধ হাতে নিয়ে পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে বলে টাকা আনতে ভুলে গেছি এই ছেলে মানে অপর কর্মচারী ছাব্বিরকে তার সাথে পাঠাতে বলে। নিউ মার্কেটে গিয়ে তাকে টাকা দেওয়ার কথা বলে। স¤্রাট রাজি হতে চাইনা একপর্যায়ে চোরের কথায় রাজি হয়ে ছাব্বিরকে তার সাথে নিউ মার্কেটে পাঠাই। ছাব্বিরকে মার্কেটের নিচে দাড় করিয়ে দোতলাই যায় চোর। পরে আর ফেরেনি সে। সিসি ক্যামেরাতে দেখে নাম জানা না গেলেও জানা গেছে আলমডাঙ্গা বিভিন্ন সময় দেখা গেছে এই ছিচকে চোরকে। সে এ ধরনের ঘটনা চুয়াডাঙ্গা শহরে কয়েক বার ঘটিয়েছে বলে এ সময় জানা যায়। গত দেড় দু মাস আগে এই একই চোর হাসপাতাল রোডে এক মাছ বিক্রেতার কাছ থেকে ৬ কেজি ইলিশ মাছ কিনে টাকা দিচ্ছি বলে পালিয়ে যায়। সেই মাছের আনুমানিক মূল্য ছিলো ৩ হাজার ৬ শত টাকা। এ ঘটনার কিছু দিন পর চুয়াডাঙ্গা কোর্ট এলাকার অপর এক মাছ বিক্রেতার কাছ থেকে একই কায়দায় ৫ কেজি ইলিশ মাছ কিনে প্রতারণা করতে চাই একই চোর। এসময় প্রথম মাছ ব্যবসায়ী তাকে চিনে ফেলে এবং হাতে নাতে তাকে ধরে উত্তম মাধ্যম দেই। সে সময়ও তার কাছে ৪০ টাকার বেশি পাওয়া যায়নি অথচ ২ হাজার ৫শ টকার মাছ ওজন করে প্যাকেটে ভরে ফেলে। সে সময় পুলিশ এসে তাকে আটক করে থানা হেফাজতে নেই। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সাম্পান ফাস্ট ফুডের মালিক কোন মামলা করেননি এবং চোরকেও আটক করা সম্ভাব হয়নি।


কমেন্ট বক্স
notebook

১২ লক্ষাধিক টাকার অবৈধ মালামাল জব্দ