শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধীদের ভাবপ্রকাশে ইশারা ভাষার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য
- আপলোড তারিখঃ
০৮-০২-২০১৮
ইং
বাংলা ইশারা ভাষা দিবস উপলক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় র্যালী ও আলোচনা সভা
নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘ইশার ভাষা উন্নয়নে, এগিয়ে যাবে প্রতিজনে’ প্রতিপাদ্যে সারাদেশের ন্যায় একযোগে বাংলা ইশার ভাষা দিবস-২০১৮ উদযাপন করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়। এ উপলক্ষ্যে গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে বর্ণাঢ্য র্যালী বের করা হয়। র্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক এস. এম রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী মানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরতে হবে। শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী মানুষের ভাবপ্রকাশে ইশারা ভাষার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। তাই তাদের সাংস্কৃতিক বিকাশ মানেই বাংলা ইশারা ভাষার বিকাশ। শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধীরা সমাজের অংশ; তাদেরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হবে। একই সাথে তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকারি/ বেসরকারি উদ্যোগে স্কুল তৈরী করতে পারি। এছাড়া একটা ইন্সটিটিউটের মাধ্যমে ইশারা ভাষার প্রশিক্ষণ দিতে পারি। এ ব্যাপারে সকলকে গুরুত্ব দিতে হবে।’ বিশেষ অতিথি ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. খায়রুল আলম, সহকারী পুলিশ সুপার (হেড কোয়াটার্স) আহসান হাবীব। আলোচনা সভার শুরুতে বাংলা ইশারা ভাষা দিবসের সূচনা ও ভূমিকা নিয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রত্যাশা সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক মো. বিল্লাল হোসেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল সামী। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৭ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয়ভাবে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।
কমেন্ট বক্স