আদালতের রায়ে প্রমাণিত হলো, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়
- আপলোড তারিখঃ
০১-০২-২০১৮
ইং
চুয়াডাঙ্গা চেম্বার’র সাবেক সভাপতি লাভলুর সংবাদ সম্মেলন
আদালতের রায়ে প্রমাণিত হলো কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান লাভলু বলেছেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গত ০৫ ডিসেম্বর’র এসআরও ৩৩৬ অনুযায়ী দুই মেয়াদের অধিক কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না- এই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ইয়াকুব-শাহারিন-মর্তুজা প্যানেল পুনঃরায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের যে পায়তারা করেছিল তা আবারো আইনে অগ্রাহ্য হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা চেম্বার নির্বাচন অনুষ্ঠানে মহামাণ্য হাইকোর্টের ৬ মাসের জন্য স্থগিতাদেশ চ্যালেঞ্জ করে ইয়াকুব-শাহারিন-মর্তুজা প্যানেলের দায়েরকৃত আপিল গত ২৮ জানুয়ারি আপিল বিভাগ খারিজ করে দেওয়ায় আবারো প্রমাণিত হলো কেউ আইনের উর্দ্ধে নয়।’
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ‘২০১১ ও ২০১৩ সালে গঠনতন্ত্র মোতাবেক নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই নির্বাচন শেষে ইয়াকুব গংরা নিজেদের স্বার্থে চেম্বারকে কুক্ষিগত করতে পর পর দুই বারের অধিক মেয়াদে নির্বাচনে অংশগ্রহণে বিধি নিষেধ অগ্রাহ্যে সাধারণ সভায় গঠনতন্ত্র থেকে এই ধারাটি অপসারিত করেন। ইতিপূর্বে ১২/০১/২০১৮ ইং তারিখের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য চুয়াডাঙ্গা চেম্বারের ১০১৫-১৭ দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের আইনগত বিষয় আপনাদেরকে বিস্তারিত জানিয়ে ইয়াকুব গং ফেডারেশন সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছিলেন এবং পরবতীতে আবারে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন; যার নং- ৫৩৯৯/২০১৫। উক্ত মামলাটি এখেনো চলমান থাকা সত্ত্বেও চুয়াডাঙ্গা চেম্বারের নির্বাচনের জন্য আর একটি তফসিল ঘোষণা করেন যা কিনা আইনি পরিপন্থী। ইয়াকুব হোসেন একটি মিথ্যা তথ্য সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেছেন, ‘বর্তমান পরিষদের মেয়াদ বৃদ্ধি করে দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।’ ২০১৫ সালের পর মেয়াদ বর্ধিতকরণের কোন চিঠি তিনি দেখাতে পারবেন না।’
তিনি আরো বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা চেম্বারের প্রায় চার বছরের অধিককাল নির্বাচন হয়নি। তাই আমরাও নির্বাচন চাই। নিয়মতান্ত্রিকভাবে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা চেম্বারের পরিচালনা পরিষদ পরিচালিত হোক এটাই আমাদে কাম্য।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, চেম্বার সদস্য সাইফুল হাসান জোয়ার্দ্দার, মো. সালাউদ্দীন, হাজী মো. আবুল কালাম, মোহা. আলাউদ্দীন হেলা, দেলোয়ার উদ্দিন জোয়ার্দ্দার দুলু, মফিজুর রহমান, মানিকউজ্জামান, জাহিদ হাসান জোয়ার্দ্দার, রাশেদুজ্জামান মালিক, ফজলে রাব্বি মুন্সি ফিট্টু, ইলিয়াছ হোসেন, মাহবুব আলম রিংকু, শামসুজ্জোহা মালিক হাসু, অহিদ হোসেন জোয়ার্দ্দার প্রমূখ।
কমেন্ট বক্স