দামুড়হুদায় যুবলীগ কর্মী ভুট্টুর উপর হামলার ঘটনায়
দামুড়হুদা প্রতিনিধি: দামুড়হুদা উপজেলা সদরে যুবলীগ কর্মী মাসুদ রানা ভুট্টুকে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগের কর্মীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করার ঘটনায় সদর ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম (৫০), উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক (একাংশ) এড. আবু তালেব ও যুবলীগ ছাত্রলীগের ১২ জন নেতাকর্মীর নামসহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে আসামী করে মামলা করা হয়েছে। মাসুদ রানা ভুট্টু উপজেলা সদরের দশমী পাড়ার আফজাল খানের ছেলে। ভুট্টুর ছোট ভাই আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে রোববার রাতে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অন্যান্য আসামীরা হলো, জাহিদুল ইসলাম (৩৫), বাঁধন (২১), সোহাগ (২২), বাউল (২৩), লিখন (২১) রিদয়ান (২১), আ. করিম (২৩), শাওন (২২), পিয়াস (২১), রাজন (২২)।

উল্লেখ্য, গত ১৯জানুয়ারী শুক্রবার বিকেল ৪ টার দিকে দামুড়হুদা বাসষ্ট্যান্ডে ফজু’র চা’দোকানের পিছনে যুবলীগ কর্মী মাসুদ রানা ভুট্টুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাতœক ভাবে জখম করে ছাত্রলীগের কর্মীরা। ভুট্টুর অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শুক্রবার সন্ধায় তাকে যশোর পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে দামুড়হুদায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে ভুট্টুর মাথায় হাতে ও পায়ে ধারাল অস্ত্রের একাধিক কোপ মারা হয়েছে। তার শরীরে প্রায় এক’শ সেলাই দেওয়া হয়েছে। ধারাল অস্ত্রের কোপে ভুট্টুর বাম হাত ও পায়ের রগ কেটে যাওয়ায় সে সাভাভিক জীবনে ফিরতে পারবে কি না তা নিয়ে ডাক্তাররা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকরাম হোসেন মামলা সত্যতা নিশ্চিত জানান, মামলার আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশি অভিযান চলছে।