মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

কাগজে কলমে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ!

  • আপলোড তারিখঃ ২৬-১২-২০১৭ ইং
কাগজে কলমে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ!
দর্শনা পৌরসভায় যেনতেনভাবে ভিটামিন এ+ ক্যাম্পেইন পালন দর্শনা অফিস: বাংলাদেশকে পোলিও মুক্ত করতে সরকারের ব্যাপক উদ্যোগ দর্শনা পৌর এলাকায় অনেকটাই ভেস্তে যেতে বসেছে। আগামী দিনের ভবিষ্যত দেশের প্রত্যেকটি শিশুকে পরিচর্যা করা দেশ ও জাতির দায়িত্ব ও কর্তব্যে। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে সারাদেশের ন্যায় দর্শনা পৌরসভা এলাকায় গত শনিবার ২৯টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা হতে বেলা ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ+ ক্যাপসুল খাওয়ানোর নির্ধারিত কর্মসূচী শেষ হয়েছে। এবার লক্ষমাত্রা ছিল ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৪শ ও ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩ হাজার ১৫০ জন শিশু। দর্শনা পৌরসভার টিকাদান সুপারভাইজার আব্দুল মজিদের ভাষ্যমতে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৩৮২শিশুকে আর ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩ হাজার ৬৮ জন শিশুকে ভিটামিন এ+ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। এখানে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হার প্রায় ৯৬%। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে চিত্র ভিন্ন। দর্শনা পৌর এলাকায় বিভিন্ন কেন্দ্রে ঘুরে দেখা গেছে শিশুদের উপস্থিতির হার ছিল খুবই কম। বেলা ১টার পর কোন কেন্দ্রেই স্বেচ্ছাসেবকদের যথাযথ খুঁজে পাওয়া যায়নি। সকালে দিকে কোন কেন্দ্রে ২জন আবার কোন কেন্দ্রে ১জনকে দেখা গেছে। বাকি কর্মীরা কোথায় জানতে চাইলে দায়িত্বরতরা জানান, শিশুদের আনতে গেছে। ক্যাম্প চলাকালীন সময় একটি মাইক বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে মাইকিং করতে দেখা গেছে অল্প সময়ের জন্য। ভিটামিন এ+ কর্মসূচী সুষ্ঠুভাবে পালনের লক্ষে প্রতি পৌরসভা এলাকায় গন্যমান্য ব্যক্তি, ইমাম, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তি, সমাজ সেবক, শিক্ষকসহ ৪০জনের সমন্বয়ে ১টি এ্যাডভোকেসি সভা করা হয়ে থাকে। উদ্দেশ্য, এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচী সম্পর্কে মহল্লার শিশুদের অভিভাবকগনকে অবহিতকরণ এবং এলাকার স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে একটি প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করে শিশুদের কিভাবে এবং কোন বয়সে কী রংয়ের ভিটামিন খাওয়াতে হবে সে সম্পর্কে এলাকার স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ প্রদান। কর্মীদের কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ ধরনের কোন প্রশিক্ষন হয়নি। সেই সাথে কোন এ্যাডভোকেসি সভাও হয়নি। সত্যতা জানার জন্য দর্শনা পৌরসভার টিকাদান সুপারভাইজার আব্দুল মজিদের কাছে আরও জানতে চাইলে তিনি বলেন, সব কিছু করা হয়েছে। কোন তারিখে কোথায়, কাদের নিয়ে এই সভা করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আপনাদের জানাতে আমি বাধ্য নই, আমার কাজের হিসাব মেয়র সাহেবকে দেবো। প্রশিক্ষণ বা এ্যাডভোকেসি সভার কোন কাগজপত্র আছে কিনা বা আমাদের দেখানো যাবে কিনা জানতে চাইলে আব্দুল মজিদ বলেন, আমি এখন ব্যস্ত আছি ১সপ্তাহ পরে যোগাযোগ করেন। তিনি আরও বলেন ভাই এইসব বাদ দেন। ছোটখাট বিষয়ে লিখে কি হবে? আমি ব্যস্ত আছি বলে ফোন রেখে দেন। এ বিষয় দর্শনা পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান ও দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার শুভকে ফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।


কমেন্ট বক্স
notebook

১২ লক্ষাধিক টাকার অবৈধ মালামাল জব্দ