মো. হুমায়ন কবীর মালিকের বিবৃতি
- আপলোড তারিখঃ
০৬-১২-২০১৭
ইং
গত ১লা ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং তারিখে স্থানীয় একটি পত্রিকায় প্রকাশিত `বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি চুয়াডাঙ্গা ইউনিটের নির্বাচনে অ্যাড. সেলিম-ফজলু পরিষদ, প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠিত: চক্ষু হাসপাতাল উন্নয়নে নানা কর্মসূচি ঘোষনা` শিরোনামে সংবাদ আমি তীব্র লিখিত প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রতিবাদের প্রথমে বলতে হয় ১৯৯১ সাল হতে কমিটিতে আমিও মো. হুমায়ন কবীর মালিক একজন কার্যনির্বাহী সদস্য। সেক্রেটারী ফজলুর রহমান সাহেব নিজেই স্বীকার করেছেন আমরা যখন দায়িত্ব নিই তখন পরিত্যক্ত ভবন ছিল ও জনতা ব্যাংকে ৬.৩৭ পয়সা নিয়ে কার্যক্রম শুরু করি। তাহলে (০১) উনি গত ১৮/০১/২০১৭ তারিখে দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকায় বিবৃতিতে বলেছেন, এই রেড ক্রিসেন্ট চক্ষু হাসপাতালের জায়গা সভাপতি, রেড ক্রিসেন্টের নামে ক্রয়কৃত জায়গা। তাহলে ৬টি দলিল মুলে ৩৩ শতক ২০ (বিশ) কাঠার দাম ওই সময়ে ৪৮,০০০/- (আটচল্লিশ হাজার) টাকা কে দিলো? যিনি টাকা দিয়েছেন তার নামসহ কোন প্রমাণ আছে কি-না? উক্ত সময়ে জমি দান করলেও জমির একটি দাম ধরে রেজিষ্ট্রি হত। অথচ দীর্ঘ ৩৭ বছর পর সেক্রেটারী সাহেব সম্মানীয় জমি দানকারীকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। উক্ত জমি দান না করলে এই প্রতিষ্ঠান হত কি-না? এবং উনি কোথায় বসে প্রতিষ্ঠান চালাতেন? উক্ত বিবৃতি দিয়ে উনি বিশাল অন্যয় কাজ করেছেন। (০২) উনি স্বীকার করেছেন আমরা একতলা একটি পরিত্যক্ত ভবনে ভাঙ্গাচুরা আসবাবপত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করি। আপনারা সবাই জানেন বা চিনেন আমি মো. হুমায়ন কবীর মালিক ১৯৭৫ সাল হতে একজন ১ম শ্রেণির ঠিকাদার। উক্ত সময়ে কমিটির সবার পক্ষ থেকে টাকা দাবী ব্যতিরেখে প্রস্তাব দেওয়ায় আমি উক্ত পচা গর্ত ভরাটসহ পরিত্যক্ত ভবন সংস্কার, মেরামত ও রং করে বসার উপযোগী করেই আমরা কমিটির কার্যক্রম শুরু করি। পরবর্তীতে অত্র চুয়াডাঙ্গার কৃতি সন্তান ইসলাম উদ্দিন মালিক ত্রান সচিবের অবদানে ১০০ টন গম বরাদ্দ পাওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রজেক্ট অফিসারের নিয়ন্ত্রনে এস্টিমেন্ট অনুযায়ী প্রকল্প কমিটির সমন্বয়ে ২য় তলার গাথুনী, ছাদ ঢালাই, প্লাস্টার, সীমানা প্রাচীর, গেটসহ আনুসংগীক নির্মাণ কাজ শেষ করে ভবন ব্যবহারের উপযোগী করেই ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকার সাশ্রয় করা হয়। উক্ত ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা দিয়ে ওই সময়ে চক্ষু রোগীদের সেবার জন্য ডা. ফকির মোহাম্মদের চাহিদা অনুযায়ী যন্ত্রপাতি ক্রয় করে চিকিৎসার কার্যক্রম শুরু হয়। এটা সম্ভব হয়েছিল আমি একজন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার সরঞ্জাম সবই আমার ছিলো। পরবর্তীতে জেলা পরিষদ প্রশাসক অত্র হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসায় হাসপাতালের অবকাঠামো ও চিকিৎসা সেবাই সন্তুষ্ট হয়ে উনয়নমূলক কাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া শুরু করেন এবং যা অদ্যবধি পর্যন্ত বহাল আছে এবং উক্ত সময় হতে হাসপাতাল বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যেগে সবার প্রচেষ্ঠায় আজকের এই চক্ষু হাসপাতাল। উনি এককভাবে হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত করেছেন এটি সঠিক নয়। উক্ত হাসপাতালের আয় ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সাহায্যেই এই হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং দায়-দেনা পরিশোধ করা হয়েছে। এই হাসপাতালের আরোও উন্নতি ও অগ্রসর হত যদি সেক্রেটারী পদে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন হত। সবার মেধা ও কার্যক্রম সমান হয় না। উনি সেত্রেটারী হয়ে সবাইকে যা বলতে পারেন আমি সদস্য হয়ে তা বলতে পারি নাই-এটাই বাস্তবতা। এই জন্য স্বচ্ছভাবে ভোটাধিকারের মাধ্যমে কমিটি গঠন হলে অনেক মেধা সম্পন্ন ব্যক্তি এখানে কমিটিতে অর্ন্তভূক্ত হতে পারত কিন্তু সেক্রেটারী সাহেব নিজেকে অনেক পারদর্শী ও জ্ঞানী ভাবেন। যার জন্য ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার জন্যই অপপ্রচার করে আসছেন। এই কুক্ষিগত ক্ষমতা ও অপপ্রচারের কারণেই দীর্ঘ ৯ (নয়) বছর পর আজকের এই নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষ্যে উনি যে বিবৃতি দিয়েছেন তা সঠিক নয়।
মো. হুমায়ন কবীর মালিক
কার্যকরী কমিটির সদস্য ও সেক্রেটারী পদপ্রার্থী
রেডক্রিসেন্ট ইউনিট, চুয়াডাঙ্গা।
কমেন্ট বক্স