সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চিরনিদ্রায় শায়িত মেয়র আনিসুল হক : রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  • আপলোড তারিখঃ ০৪-১২-২০১৭ ইং
চিরনিদ্রায় শায়িত মেয়র আনিসুল হক : রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
সমীকরণ ডেস্ক: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গত শনিবার বিকেল ৫টা ১২ মিনিটে নগরবাসীর শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় সিক্ত হয়ে বনানী কবরস্থানে মা ও ছোট ছেলে শারাফের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তিনি। এর আগে বিকেল সোয়া ৪টায় রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে তার দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়। গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর লন্ডনের সেন্ট্রাল মসজিদে আনিসুল হকের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে আনিসুল হকের একমাত্র ছেলে নাভিদুল হক বলেন, আমার বাবা ছিলেন একজন শৌখিন মানুষ। তিনি সুখী ও হাসি-খুশি মানুষ ছিলেন। দেশবাসীর কাছে বাবার জন্য দোয়া চাই। কাজের খাতিরে কেউ যদি আমার বাবার ব্যবহারে দুঃখ পেয়ে থাকেন, তাহলে আপনারা তাকে ক্ষমা করে দিবেন। তিনি জানান, মেয়রের কুলখানি ৬ ডিসেম্বর বুধবার। সেদিন গুলশানের আজাদ মসজিদে বাদ আসর তার কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে। গত শনিবার বেলা একটার দিকে আনিসুল হকের মরদেহ বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের উড়োজাহাজটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে পরিবারের পক্ষে ভাই সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক মরদেহ গ্রহণ করেন। বিমানবন্দরে মেয়রের লাশ গ্রহণ করতে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল আলম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে বেলা ১টা ২০ মিনিটের দিকে মরদেহ বনানীর বাসায় নেওয়া হয়। মরদেহ বাসায় আনা হলে চারিদিকে কান্নার রোল পড়ে যায়। উল্লেখ্য, গত ২৯ জুলাই ব্যক্তিগত সফরে স্ব-পরিবার যুক্তরাজ্যে যান মেয়র আনিসুল হক। অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১৩ আগস্ট তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত রোগ সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস শনাক্ত করেন চিকিৎসকেরা। এরপর তাকে দীর্ঘদিন আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। একপর্যায়ে মেয়রের শারীরিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় তার কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র খুলে নেওয়া হয়। কিন্তু গত মঙ্গলবার মেয়রের পরিবারের একজন সদস্য বলেন, রক্তে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তাকে আবার আইসিইউতে নেওয়া হয়। এরপর তার ফুসফুসও আক্রান্ত হয়। বাংলাদেশ সময় গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মেয়র আনিসুল হক।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড