আলমডাঙ্গায় চুরি হওয়া পাখিভ্যান কেনার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় ৬০ হাজার টাকা মূল্যের চোরাই পাখিভ্যানটি উদ্ধার করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাত থেকে শনিবারের মধ্যে আলমডাঙ্গার ক্যানালপাড়া ও বড় বোয়ালিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- হাটবোয়ালিয়া গ্রামের নুহুনবীর ছেলে মো. রাজিব (৩০), বড় বোয়ালিয়া গ্রামের মৃত মুসার ছেলে মো. হাফিজুর রহমান (৪২) এবং একই গ্রামের মৃত মোক্তার আলীর ছেলে মো. গনি (৬০)। তাদের মধ্যে রাজিবের কাছ থেকে চোরাই পাখিভ্যানটি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ৩ অক্টোবর রাত ২টা থেকে ভোর ৪টার মধ্যে আলমডাঙ্গার ক্যানালপাড়া গ্রামের শরিফুল ইসলামের বাড়ির উঠান থেকে তার পাখিভ্যানটি চুরি হয়। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে হাটবোয়ালিয়া বাজারের রাজিব সাইকেল স্টোরের সামনে চোরাই পাখিভ্যানটি শনাক্ত করেন মালিক। এসময় দোকানের মালিক রাজিব ভ্যানটির বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করলে রাজিব ১৩ হাজার ৮০০ টাকায় হাফিজুর রহমান ও গনির কাছ থেকে পাখিভ্যানটি কেনার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশের ভাষ্য।
পরে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পাখিভ্যানটি জব্দ করে রাজিবকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আব্দুস সবুর সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে বড় বোয়ালিয়া এলাকা থেকে হাফিজুর রহমান ও গনিকে গ্রেপ্তার করেন। এ ঘটনায় শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা করেছেন। মামলায় চুরি ও চোরাই মাল রাখার অভিযোগে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ভ্রাম্যমান প্রতিবেদক,আলমডাঙ্গা