জীবননগরে জমি বিক্রির ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন জমির ক্রেতা মো. আমিনুল ইসলাম, মোমিনুল ইসলাম ও জুয়েল রানা। সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবি করেন, মোছা. রোজিনা খাতুন ও তার স্বামী তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা তাদের কাছেই আছে। এই টাকা কামরুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ বা রিমন নেননি।
সংবাদ সম্মেলনে জমির ক্রেতা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, জমি কেনার জন্য তারা তিন বছর আগে টাকা বায়না করেছিল। পরে জমি রেজিস্ট্রি করেন। দুই বছর পর দলিল বের হলে জমির নামজারি করতে গিয়ে জানতে পারেন জমি জসিম তার বউয়ের নামে হেবা দলিল করে দিয়েছেন। পরে কয়েক দফায় সালিশের পর তারা জমি রেজিস্ট্রি করে দিতে রাজি হয়। এ জন্য হাসানের কাছে ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা জমা ছিল। পরে ১৮ লাখ টাকায় দলিল করে জমি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। সেখানে রেজিস্ট্রি খরচ হয়েছে ২ লাখ টাকা। আর ওই ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা হাসানের কাছ থেকে তারা বুঝে নিয়েছে। পরে সালিশের মাধ্যমে জসিমকে ১ লাখ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা সালিশে পরে আর আসেনি।
সংবাদ সম্মেলনে কামরুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ ও রিমন উপস্থিত ছিলেন। কামরুল ইসলাম বলেন, তাদের বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে তারা আইনি ব্যবস্থা নেবেন।
সমীকরণ প্রতিবেদক