রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

দামুড়হুদার জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনকে ঘিরে ৮ দফা দাবিতে মানববন্ধন

সকল দাবি পালনের আশ্বাস রেল কর্তৃপক্ষের
  • আপলোড তারিখঃ ১৩-০৯-২০২৬ ইং
দামুড়হুদার জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনকে ঘিরে ৮ দফা দাবিতে মানববন্ধন

দামুড়হুদা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনে রেলওয়ে স্টপেজ কার্যকর ও আধুনিক করার দাবিতে ট্রেন থামিয়ে ৮ দফা দাবি উত্থাপন করে মানববন্ধন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল ৫টায় দামুড়হুদা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ ও জয়রামপুর গ্রামবাসীর আয়োজনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।


জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ট্রেন থামিয়ে মানববন্ধনের মাধ্যমে ৮ দফা দাবি জয়রামপুর রেলওয়ে স্টেশনে সাগরদাঁড়ি ও কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসের আন্তঃনগর বিরতি দিতে হবে। স্টেশন মাস্টারসহ স্টেশনের প্রয়োজনীয় লোকবল পুনর্বহাল করতে হবে। লুপ লাইন চালু করতে হবে এবং টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এ ছাড়া স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম আধুনিকীকরণ, অবকাঠামোগত সংস্কার ও উন্নয়ন করতে হবে। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত স্টেশনের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত হওয়ায় একই নকশায় নতুন করে হলঘর নির্মাণ করতে হবেÑএমন দাবি চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রকৌশলী সাইদুর রহমানের নিকট পেশ করেন। পরে চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ৮ দফা দাবি পালনের আশ্বাস দেন।


এছাড়া স্থানীয় জনগণের আরো দাবি করে বলেন, পোড়াদহ-গোয়ালন্দঘাট রুটে চলাচলকারী শাটল ট্রেনটি দর্শনা পর্যন্ত বর্ধিত করতে হবে এবং লোকাল ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি লোকাল ট্রেনের বগি সংখ্যা বাড়াতে হবে।
সর্বশেষ দাবিতে বলা হয়েছে, নতুন সংযোজন পরিকল্পনায় দর্শনা-চুয়াডাঙ্গা রুটের সকল ট্রেনকে জয়রামপুর স্টেশনকে রুটের অন্তর্ভুক্ত রেখে জয়রামপুর স্টেশনে স্টপেজ দিতে হবে।


এসময় রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে মানববন্ধনকারীরা থামিয়ে দেয়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা কপোতাক্ষ ট্রেন ৫ মিনিট থামায় স্থানীয় আন্দোলনকারীরা। রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাস পেলে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে ট্রেনটিকে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়।


এসময় উপস্থিত ছিলেন, হাউলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আক্তার সিদ্দিকী, স্থানীয় সিনিয়র নাগরিক পিয়ার আলী, দামুড়হুদা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মমিনুল ইসলাম, ডাবলু, সাবেক সেনা সদস্য লাজিব আক্তার সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।



কমেন্ট বক্স
notebook

আন্দুলবাড়ীয়ায় ৭টি স্পিড ব্রেকারের দাবি