জীবননগর উপজেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র আন্দুলবাড়ীয়া বাজার। প্রতিদিন হাজারো মানুষের সমাগম হলেও স্বাধীনতার পর সাড়ে পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও এখানে নির্মাণ হয়নি একটি যাত্রী ছাউনি। ফলে তীব্র রোদ, বৃষ্টি কিংবা ঝড়ের সময় চরম দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই বাজারে আধুনিক নাগরিক সুবিধার অনেক কিছুই এখনও গড়ে ওঠেনি। বিশেষ করে যাত্রী ছাউনি না থাকায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন নারী, শিশু ও প্রবীণরা। হঠাৎ বৃষ্টি কিংবা প্রচণ্ড রোদের সময় যাত্রীদের বাধ্য হয়ে বিভিন্ন দোকানের বারান্দায় আশ্রয় নিয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।
আন্দুলবাড়ীয়া বাজার থেকে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে নিয়মিত দূরপাল্লার বাস চলাচল করে। এর মধ্যে ‘পূর্বাশা পরিবহন’সহ বিভিন্ন এসি ও নন-এসি বাস দিন-রাত যাত্রী পরিবহন করে। এ পথে প্রতিদিন সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতায়াত করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বাজারের ব্যবসায়ীদের কল্যাণ ও সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ১৯৭৩ সালে ‘আন্দুলবাড়ীয়া বাজার কমিটি’ গঠিত হয়। তবে বাজারটি প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও যাত্রীদের জন্য একটি ছাউনি নির্মাণ না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই বাজারে একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন যাত্রী ছাউনি নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি বাজারের সৌন্দর্যও বাড়বে। সর্বসাধারণের যাতায়াতের সুবিধা ও দুর্ভোগ লাঘবে আন্দুলবাড়ীয়া বাজারে দ্রুত একটি আধুনিক যাত্রী ছাউনি নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, পথচারী ও সাধারণ মানুষ। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
প্রতিবেদক আন্দুলবাড়িয়া