চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের মাদক বিরোধী পৃথক অভিযানে মাদক সেবন করে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় অসংলগ্ন কথাবার্তা বলার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হলে তাৎক্ষণিক বিচারে দুজনকেই কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে জেলা পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. আকরাম খাঁনের নেতৃত্বে পৌর কলেজপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে পৌর কলেজপাড়ার নিজ বসতবাড়ির শয়নকক্ষ থেকে মো. মুস্তাফিজুর রহমান (২১) নামে এক যুবককে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই অবস্থায় পুলিশের সামনে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছিলেন। মুস্তাফিজুর রহমান পৌর কলেজপাড়ার মো. মুকুল হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ২০১৮ সালের ৩৬(৫) ধারায় সামারি ট্রায়াল প্রসিকিউশনের জন্য আদালতে পাঠানো হয়। পরে বিজ্ঞ আদালত তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
অপর দিকে, একই দিন বেলা ১১টার দিকে সদর থানার এসআই অনুজ কুমার সরকারের নেতৃত্বে দৌলতদিয়ার (চুনরিপাড়া) এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় মো. সেতু রহমান (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে তার বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পুলিশের সামনে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছিলেন। সেতু রহমান ওই এলাকার মো. আসাদুল হক মিণ্টুর ছেলে।
তার বিরুদ্ধেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ২০১৮ সালের ৩৬(৫) ধারায় সামারি ট্রায়াল প্রসিকিউশনের জন্য আদালতে পাঠানো হয়। পরে বিজ্ঞ আদালত তাকে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক বিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক