শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কার্পাসডাঙ্গা হাইস্কুলের নির্মাণাধীন প্রাচীর ভেঙে দেয়ার অভিযোগ

  • আপলোড তারিখঃ ১১-০৯-২০২৬ ইং
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কার্পাসডাঙ্গা হাইস্কুলের নির্মাণাধীন প্রাচীর ভেঙে দেয়ার অভিযোগ

দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন সীমানা প্রাচীর ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তি ও তার ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কার্পাসডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সীমানা অরক্ষিত থাকায় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন মালামাল চুরি এবং রাতে বহিরাগতদের আড্ডাসহ নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ অবস্থায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গত সোমবার মিস্ত্রি দিয়ে নতুন করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করে।


অভিযোগ রয়েছে, প্রাচীর নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছালে মিস্ত্রিরা খাবার খেতে গেলে সেই সুযোগে কার্পাসডাঙ্গার মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে নুরু ও তার ছেলে সোহেল নির্মাণাধীন প্রাচীরের একটি অংশ ভেঙে দেন। এসময় মিস্ত্রিদের প্রাচীর নির্মাণের কাজ অব্যাহত রাখলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।


বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য শামীম বলেন, ‘নুরু ও সোহেল যা করেছে, তা চরম অন্যায়। বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার হওয়া দরকার।’ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বলেন, সীমানা অরক্ষিত থাকায় বিদ্যালয় থেকে এর আগেও ফ্যানসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরি হয়েছে। পাশাপাশি রাতে নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের আড্ডার কারণেও বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, এর আগেও ওই স্থানে সীমানা প্রাচীর ছিল। নতুন করে সংস্কার করে প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে নুরু বাধা দিচ্ছেন।


তিনি আরও জানান, জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য আমিন দিয়ে মাপজোক করা হলেও নুরু তা মানতে রাজি নন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে নির্মাণাধীন প্রাচীর ভেঙে দেওয়ার সুযোগ নেই।


বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন এরশাদ বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব। কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’ অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে নুরুর সঙ্গে কথা হলে তিনি দাবি করেন, ‘জমিটি আমাদের। আমাদের জমিতে প্রাচীর দিলে কেন মেনে নেব?’



কমেন্ট বক্স
notebook

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানকে ঘিরে