বিডিআর বিদ্রোহে হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্সের রায় আজ
- আপলোড তারিখঃ
২৬-১১-২০১৭
ইং
সমীকরণ ডেস্ক: বহুল আলোচিত বিডিআর বিদ্রোহ হত্যা মামলার আপিলের রায় ঘোষণা হবে রোববার। বিচারপতি মো. শওকত হোসেন, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে গত ১৩ এপ্রিল উভয় পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। এর পর গত ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য রাখা হয়। গতকাল শনিবার ওয়েবসাইটে দেখা গেছে, এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ১ নম্বর কার্যতালিকায় রয়েছে। রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর সদর দফতরে সংঘটিত সেনা কর্মকর্তা হত্যাকান্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ের সব ডেথ রেফারেন্স ও ফৌজদারি আপিলের ওপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন গত ১৩ এপ্রিল শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। এর আগে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১৮ জানুয়ারি হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়।
মোট একশ' ২৪ কার্যদিবসে মামলায় পেপারবুক উপস্থাপন করা হয়। ৩৭০ কার্যদিবসে মামলার শুনানি হয়। রাজধানীর বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. মো.আখতারুজ্জামান ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদন্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন, ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড এবং ২৭৮ জনকে খালাস দেওয়া হয়। আর ৪ জন আসামি বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় মামলার দায় থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়। রায়ে খালাসপ্রাপ্ত ৬৯ জন আসামির সাজা চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। অন্যদিকে দ-প্রাপ্ত ৪১০ জন আসামি তাদের সাজা বাতিল চেয়ে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। ২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর সদর দফতরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন হত্যাকা-ের শিকার হন। এ ঘটনায় প্রথমে রাজধানীর লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ম্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। পরে এসব মামলা নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়। সিআইডি দীর্ঘ তদন্ত শেষে হত্যা মামলায় ২৩ বেসামরিক ব্যক্তিসহ প্রথমে ৮২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এ ছাড়া বিস্ম্ফোরক আইনে করা মামলায় ৮০৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। পরে আরও ২৬ জনকে অভিযুক্ত করে মোট ৮৩৪ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। বিচার চলাকালে তৎকালীন বিডিআরের ডিএডি রহিমসহ চার আসামির মৃত্যু হয়।
কমেন্ট বক্স