চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় পৃথক অভিযান চালিয়ে চুরি করা বাইসাইকেলসহ এক যুবক, গাঁজাসহ দুজন, মাদক মামলার এক আসামি ও পরোয়ানাভুক্ত এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে বাইসাইকেল চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার যুবক ও গাঁজাসহ দুজনকে আদালতে হাজির করা হলে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেসবাহ্ উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে বৃহস্পতিবার দুপুরে এসআই ফাহিম হোসেন ইব্রাহিমপুর গ্রামের মীর বটতলা এলাকায় অভিযান চালান। এসময় স্থানীয়দের সহায়তায় সাগর আলী (২২) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলার রংপুর মাঠপাড়ার হাসান আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য, ইব্রাহিমপুর গ্রামের ছোটপোল মাঠ থেকে তরিকুল ইসলামের একটি বাইসাইকেল চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় লিচু মণ্ডলের সাইকেল গ্যারেজের সামনে থেকে সাগর আলীকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে গাঢ় সবুজ রঙের একটি পুরোনো হারকিউলিস বাইসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
পরে সাগর আলীকে আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে লোকনাথপুর ক্লাব মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেন এসআই মাহাবুল হক। গ্রেপ্তাররা হলেন- লোকনাথপুর স্কুলপাড়ার মো. আমির হোসেন (৩০) ও একই গ্রামের মো. মিনারুল (৪০)।
পুলিশ জানায়, আমির হোসেনের প্যান্টের পকেট থেকে ৪ গ্রাম এবং মিনারুলের লুঙ্গির কোচর থেকে ৩ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে তাদের আদালতে হাজির করা হলে দুজনকেই ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
এছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি রশিদুল ইসলামকে (৩৬) গত বৃহস্পতিবার তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি রুদ্রনগর গ্রামের আনছার আলীর ছেলে। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে এর আগে আরও দুটি মাদক মামলা রয়েছে। একই দিনে চারুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সিআর-২০৯/২৬ মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোছা. রেহেনা খাতুনকে লক্ষ্মীপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রতিবেদক দামুড়হুদা