দামুড়হুদায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সিরাজুল আলম ঝণ্টুকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে চারটায় দামুড়হুদা মিনি স্টেডিয়ামে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ আসর তাঁর নিজ গ্রাম বদনপুর ঈদগাহ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।
দামুড়হুদা মিনি স্টেডিয়ামে প্রথম জানাজা শেষে মরহুমের কর্মময় জীবন ও রাজনৈতিক অবদানের স্মৃতিচারণ করেন জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম মর্তুজা, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, আব্দুল ওদুদ শাহ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কামাল উদ্দিন, জুড়ানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন, অ্যাডভোকেট আবু তালেব, অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা শফিউল কবীর ইউসুফ, সাবেক জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুস সাত্তার, মরহুমের বড় শ্যালক কামাল আহম্মেদ এবং তাঁর একমাত্র ছেলে, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হাসান উদয়।
বক্তারা বলেন, সিরাজুল আলম ঝণ্টু দীর্ঘদিন রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও তিনি সকলের কাছে একজন শ্রদ্ধাভাজন ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ২৮ জুন বিকেলে দামুড়হুদা উপজেলা সদরের গুলশানপাড়ায় নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভাকাক্সক্ষী রেখে গেছেন।
তাঁর জানাজা ও দাফানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ সর্বস্তরের শত শত মানুষ অংশ নেন। দল-মত নির্বিশেষে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে শেষ বিদায়ে শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো এলাকায়।
প্রতিবেদক দামুড়হুদা