মেহেরপুর সরকারি কলেজের ১৯৮০-৮১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী। পড়ালেখা শেষ করে অনেকেই চাকরি কিংবা ব্যবসা বাণিজ্যে ব্যস্ত। কেউবা দূরপ্রবাসে। বন্ধুদের মধ্যে যোগাযোগ যখন বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে, তখন ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে এক ভিন্ন পথ ধরেন ওই ব্যাচেরই শিক্ষার্থীরা। গতকাল শনিবার সকালে প্রায় সাড়ে চার দশক পর সরকারি কলেজের সম্মেলন কক্ষে মিলনমেলার বিরাশিয়ান বন্ধু মেলার আয়োজন করা হয়। এসময় জেলার নানা প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থীরা একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, ছবি তোলা, আড্ডা ও গল্পে মেতে উঠেন।
বিরাশিয়ান বন্ধু মেলার প্রধান সমন্বয়ক আবু জাফরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন মেহেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ. কে. এম. নজরুল কবীর, বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি কলেজের (অব.) অধ্যাপক ফজলুল হক, মেহেরপুর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক খেজমত আলী মালিথা। মিলনমেলায় মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে যুক্ত হয় বন্ধুদের আড্ডায়। দেড় শতাধিকের বেশি বন্ধুর আগমনে সম্মেলন কক্ষে সেই পুরো দিনের আড্ডায় ফিরে যান তারা। বন্ধু মেলায় অংশ নিতে সকাল থেকেই সরকারি কলেজে আসতে থাকে ১৯৮২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।
ব্যক্তিস্বার্থ ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতার বর্তমান বাস্তবতায় নিজের মধ্যে বন্ধুত্ব আর ঐক্য চায় মেহেরপুর সরকারি কলেজের ১৯৮০-৮১ সেশনের শিক্ষার্থীরা। এতে সংকটে বন্ধুদের পাশে দাঁড়ানোসহ কলেজ ও সমাজের মানুষের জন্য কাজ করতে চায় তারা।
প্রতিবেদক মেহেরপুর