নিম্নমানের খাতা সরবারহের অভিযোগ
- আপলোড তারিখঃ
২১-১১-২০১৭
ইং
গাংনীতে প্রাথমিক সমপানী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষায়
গাংনী অফিস: মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফারুক উদ্দীনের বিরুদ্ধে প্রাথমিক ও এবতেদায়ি পরীক্ষায় নি¤œমানের খাতা সরবারহের অভিযোগ উঠেছে। আর নি¤œমানের খাতার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়তে হয়েছে বিড়ম্বনায়। একদিকে লিখে অন্যদিকে লিখতে যেয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে পরীক্ষার্থীদের। তবে সঠিম নিয়মে খাতা সরবারহ করা হচ্ছে বলে জানা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফারুক উদ্দীন। এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষ্ণুপদ পাল অভিযোগ পেয়ে সাথে সাথে উন্নত খাতা সরবারহ জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, যে খাতায় পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে সেটা খুব একটা ভালো মানের নয় তাই দ্রুত ভালো মানের খাতা সরবারহ করার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফারুক উদ্দীনকে নির্দেশ দিয়েছি।
জানা যায়, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ১৪৩ গ্রামের ১৬৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর পিএসি ও এবতেদায়ি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে ১৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে অংশ গ্রহণ করেছেন ৫ হাজার ৫র্শ ৮৩ জন পরীক্ষার্থী। এ উপলক্ষ্যে জেলা শিক্ষা অফিস গাংনী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফারুক উদ্দীনকে ভালো মানের খাতা সরবারহের জন্য চিঠি দেয়। এবং প্রতি খাতায় ৪.টাকা ৯৫ পয়সা করে রেট দেয়। কিন্তু উপজেলা শিক্ষা অফিসার অতি গোপনে কোটেশন না করে কুষ্টিয়ার পপুলার প্রেসের সাথে চুক্তি করে দুই টাকা ১০পয়সা করে রেট দিয়ে নি¤œমানের খাতা সরবারহ করে অর্থ বানিজ্যে করে। আর এর মাসুল গুনতে হচ্ছে পরীক্ষার্থীদের। নি¤œমানের খাতা হওয়ায় নানা জটিলতায় পড়তে হচ্ছে তাদের। গাংনী মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত কয়েকজন অভিভাবক বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুনজর কামনা করেছেন।
এব্যাপারে গাংনী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফারুক উদ্দীন বলেন, খাতা ক্রয় আমাকে করতে বলেছেন আমি করেছি। পপুলারকে টাকা দিয়েছি তারা যদি নি¤œমানের খাতা দেয় তাহলে আমার কি করার আছে।
প্রতিষ্ঠানের দাবি ভিন্ন তারা বলছেন, যেমন টাকা তেমন মাল। কুষ্টিয়া জেলার সকল উপজেলায় প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ডবল ডিএমআই বসুন্ধরা খাতা ব্যবহার হচ্ছে। মেহেরপুর গাংনী উপজেলায় যে খাতা চেয়েছে আমরা তাই দিয়েছি।
জেলা শিক্ষা অফিসার জানিয়েছেন, ভালো মানের খাতা কেনার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে তিনি যদি নি¤œমানের খাতা ক্রয় করেন তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষ্ণুপদ পাল জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরে শিক্ষা অফিসার ডেকে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করেন। পরে আমি খাতা ক্রয় করার পর বাকি টাকা গুলো সরকারী কোষ্যাগারে জমা করে দিতে বলেছি।
কমেন্ট বক্স