মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

মহেশপুর পৌরসভায় নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

সরকারি জমিতে নকশা অনুমোদন
  • আপলোড তারিখঃ ২৯-০১-২০২৬ ইং
মহেশপুর পৌরসভায় নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

কোটি টাকার সোলার লাইট কেলেঙ্কারির পর এবার ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সোহেল রানার বিরুদ্ধে সরকারি জমিতে ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে এলাকায় হইচই পড়ে গেলেও সরকারি রাস্তা উদ্ধারে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। এ ঘটনায় পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসনের একাধিক নোটিশ ও নির্দেশ উপেক্ষা করে ভবন মালিক কাজ চলমান রেখেছেন। ফলে প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, ২০২১ সালের পহেলা এপ্রিল মহেশপুর উপজেলা শহরের পৌর এলাকার পশু হাসপাতাল পাড়ায় ৪ দশমিক ৪৫ শতক জমি ক্রয় করেন মহেশপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা রায়হান উদ্দিনের মেয়ে রাজিয়া খাতুন। জমি দাতা ছিলেন একই এলাকার মাছুমা খাতুন।


জমি বিক্রয়ের সময় দলিলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল—সরকারি রাস্তার সাথে সংযুক্ত হিসেবে ৭ ফুট প্রশস্ত একটি চলাচল রাস্তা দিতে হবে। কিন্তু জমি বিক্রেতা মাছুমা খাতুন ও তার ছেলে আতিকুর রহমান পাপ্পু দলিলে উল্লেখিত ওই রাস্তার অংশ দখল করে সেখানে পাকা ভবন নির্মাণ শুরু করেন।


অভিযোগ রয়েছে, রাস্তার অস্তিত্ব গোপন রেখে তারা পরিকল্পিতভাবে নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এ কাজে মহেশপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সোহেল রানা দলিলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপেক্ষা করে গোপনে নকশা পাশ করে দেন, যা পুরো নির্মাণ কার্যক্রমকে অবৈধ করে তুলেছে।


ভুক্তভোগী পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে মহেশপুর পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ তদন্তে নেমে দলিলে উল্লেখিত রাস্তার অস্তিত্বের প্রমাণ পায়। তদন্ত শেষে নির্মাণ কাজ বন্ধের নোটিশ দেওয়া হলেও মাছুমা খাতুন ও তার ছেলে আতিকুর রহমান পাপ্পু তা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।


এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সরাসরি নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ প্রদান করলেও সেই নির্দেশও মানা হয়নি। প্রশাসনের এমন স্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে কাজ চলমান থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
রাজিয়া খাতুন অভিযোগ করেন, মহেশপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সোহেল রানার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দখলদার মাছুমা খাতুন ও তার ছেলে পাপ্পু নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। মহেশপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সোহেল রানা বলেণ, আমরা তাদের নোটিশ দিয়েছি কিন্তু কাজ বন্ধ করছে না। এখন আমরা আইনগত পথে হাঁটছি। তাদের নকশা বাতিল করা হবে।


মহেশপুর পৌরসভার প্রশাসক ও মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাদিজা আক্তার বলেন, আমরা জমি দাতার কাছে কারণ দর্শাণোর নোটিশ দিয়েছি। তারা জবাব দিয়েছে। এখন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঝিনাইদহ স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রিথীন্দ্র নাথ রায় বলেন, এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটে থাকলে পৌরসভার আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারি ভাগাড় বা রাস্তা কাউকে দখল করতে দেওয়া হবে না।



কমেন্ট বক্স
notebook

দর্শনায় ঈদ কেনাকাটায় প্রাণচাঞ্চল্য, জমজমাট মার্কেটগুলো