গাংনীতে যৌতুকের মামলা দিলেন পরকিয়ায় আসক্ত তালাক দেয়া স্ত্রী
- আপলোড তারিখঃ
১৩-১১-২০১৭
ইং
গাংনী অফিস: গাংনী উপজেলার চোগাছা গ্রামের ফজলুল হক শাহর ছেলে মালেশিয়া প্রবাসী মতিউর রহমানের স্ত্রীর পরকিয়ার কারণে সালিশ বৈঠক বসে। এমন খবর তার নিকট গেলে সে যাছাই-বাছাই পুবুক তার স্ত্রীকে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তালাক দেয়। তিনি জানান, ১৫-১৬ বছর আগে মেহেরপুর সদর উপজেলার কচুইখালী জুগিন্দা গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর মেয়ে রুপালী খাতুনের সাথে বিবাহ হয়। তারপর তাদের ঘরে দুটি সন্তান আসে। এরপর তার বড় ভাই তৌহিদুুল ইসলাম মালেশিয়া প্রবাসী সে মতিউর রহমানকে তার নিকট চলে আসার প্রস্তাব দিলে সে ৯ বছর আগে মালেশিয়া পাড়ি জমান। তারপর থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রচুর টাকা তার স্ত্রীকে দিয়েছে মতিউর রহমান। তিনি সর্বশেষ তার নিকট ৭ লক্ষ টাকা দেয় জমি ক্রয় করার জন্য। কিন্তু সে ওই টাকাগুলোও নষ্ট করেছে তার স্ত্রী। কি করেছে তার কোন জবাব মেলেনি। তিনি আরো জানান, গত ২৭-০৯-১৭ ইং তারিখে খুব সকালে গাংনীর চোগাছা গ্রামে একটি সালিশ বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে আমার স্ত্রী ও একই এলাকার থিপিলের ছেলে লিংকনের সাথে পরকিয়ার অভিযোগ উঠে। সেখানে সালিশ বৈঠকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে পার পেয়ে যায় লিংকন ও তার বাবা থিপিল। সাথে পরকিয়া আসক্ত আমার স্ত্রীকে আমার ঘরে তুলে দেন। কিন্তু যে স্ত্রী খিস্ট্রান বেধর্ম একটি ছেলের সাথে পরকিয়া জরিয়েছে তাকে নিয়ে আর সংসার সম্ভব নয় বলে আমি তাকে তালাক দিই। কিন্তু মেয়র অপকৌশুলে আমার ঘরে তুলে দেন। মতিউর রহমান দেশে ফেরার সাথে সাথে রুপালী যৌতুকের অভিযোগ এনে ১০-১০-১৭ইং তারিখে মেহেরপুর আদালতে মিথ্যা মামলাটি দায়ের করে। পরে সে কয়েকদিন কারাভোগ শেষে জামিন নিয়ে বাড়ি ফিরেছে। এখনও তার বাবা জামিন পায়নি। তবে তালাকের তিনদিন পর মামলা দিলেও তালাকের আগেই যৌতুকের মামলাটি ব্যক ডেটে করানোর অভিযোগ উঠেছে। গত ১০-১০-১৭ইং তারিখে ৫৯৬ নং মামলায় আমি কয়েকদিনের জামিন পেলেও এঘটনা মহামান্য আদালতের নিকট সুবিচার কামনা করেছেন।
কমেন্ট বক্স