সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

জীবননগর রতিরামপুরের নির্মাণকাজ বন্ধ হওয়া সড়ক পরিদর্শন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান অমল

  • আপলোড তারিখঃ ১৩-১১-২০১৭ ইং
জীবননগর রতিরামপুরের নির্মাণকাজ বন্ধ হওয়া সড়ক পরিদর্শন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান অমল
নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তা তৈরি : এলাকাবাসীর তোপের মুখে কাজ বন্ধ! জীবননগর অফিস: জীবননগর উপজেলার রতিরামপুর গ্রামে রাস্তা নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের ইট ও ইটের গুড়ো দিয়ে রাস্তার কাজ করার অভিযোগ তুলে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছে এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে নির্মাণকাজ বন্ধ হওয়া ওই সড়ক পরিদর্শন করেন জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মো. আব্দুল লতিফ অমল। এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী আলী আজগার টগরের একান্ত প্রচেষ্টায় সিংনগর হতে রতিরামপুর গ্রামের ব্রিজ পর্যন্ত ৭৩ লাখ ৭২ হাজার ৬শ ২৯ টাকা ব্যায়ে কারপেটিং করন কাজের টেন্ডার পায় চুয়াডাঙ্গা রেলপাড়ার মের্সাস আসমান কন্সট্রাকশন। অভিযোগ ওঠে কাজের প্রথম থেকেই অনিয়মের। যেভাবে রাস্তায় ইট দেওয়ার কথা তার কিনচিৎ পরিমানেও ইট দেওয়া হচ্ছে না, যাওবা ইট দিচ্ছে সেগুলো নাম্বার বিহীন ইট। এমন কি ইট বাদে ইট ভাটায় পড়ে থাকা ইটের গুড়া বালি দিয়ে রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। এদিকে, স্থানীয় জনগন রাস্তার কাজে ফাঁকি দেওয়ায় রাস্তার কাজটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। পরে জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবহতি করে। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে গত শনিবার সকালে জীবননগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু. মো. আ. লতিফ অমল ও উথলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আ. হান্নানসহ গ্রামবাসী মিলে রাস্তাটি পরিদর্শন করেন। জীবননগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু. মো. আ. লতিফ অমল জানান, গত শনিবার এলাকাবাসী আমাকে ফোন করে বলে, রতিরামপুর গ্রামে রাস্তার যে কাজ হচ্ছে সেটি একেবারে নিম্নমানের ইট দ্বারা হচ্ছে। এমনকি ইট বাদে ভাটার গুড়োইট দিয়েও কাজ করা হচ্ছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আমি এবং উথলী ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রামবাসী রাস্তাটি পরিদর্শন করি। সেখানে দেখি আসলেই রাস্তার কাজ একেবারে নিম্নমানের ইট ব্যবহার হচ্ছে। আমি বিষয়টি উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারকে জানিয়েছি, আশা করি তিনি খুব দ্রুত এর ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। এ ব্যপারে জীবননগর উপজেলার ইঞ্জিনিয়ার ফজলুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, রতিরামপুর গ্রামে যে রাস্তার কাজে নিম্নমানের ইট, খোয়া দেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যানের মাধ্যমে পেয়েছি। যিনি এই রাস্তার টেন্ডার পেয়েছে আমি তার সাথে কথা বলেছি এবং রাস্তার কাজে সিডিউল অনুযায়ী করার জন্য বলেছি। তা নাহলে কাজ করতে দেওয়া হবে না। এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, রাস্তার কাজের প্রথম দিক থেকেই ইঞ্জিনিয়ার অফিস থেকে একজন করে কর্মকর্তা থাকে। তাদের সামনেই এ ধরনের অপকর্ম করে চলেছে। তাদের বলা সত্ত্বেও তারা আমাদের কথায় কোন কর্নপাত না করে নিম্নমানের ইট দ্বারা রাস্তার কাজ করে চলেছে। একটি সুত্রে জানা গেছে, জীবননগর উপজেলায় যে সমস্ত রাস্তায় কাজ করা হয়, কোন রাস্তায় ইঞ্জিনিয়ার তো দূরের কথা, অফিসের কেউ ঠিক মত রাস্তার কাজের কোন তদারকি করে না। যার ফলে সরকারীভাবে উন্নতমানের রাস্তা তৈরির বাজেট দিলেও ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদারের মধ্যে একটি মধুর সম্পর্ক গড়ে ওঠায় রাস্তার কাজের ভালোমন্দ কোন কিছু দেখতে পায় না। এদিকে ইঞ্জিনিয়ার অফিসের অফিসার ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের এহেন কান্ড দেখে এলাকার সাধারন মানুষ হতবাক।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড