কপোতাক্ষ নদের কচুড়িপানা পরিষ্কার করলেন মহেশপুর ইউএনও কামরুল ইসলাম
- আপলোড তারিখঃ
১২-১১-২০১৭
ইং
ঝিনাইদহ/মহেশপুর প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কপোতাক্ষ নদের কচুড়িপানা পরিষ্কার করলেন মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা কামরুল ইসলাম। শনিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকল কর্মকতাদের সাথে নিয়ে কপোতাক্ষ নদের কচুড়িপানা পরিষ্কার করেন। এসময় তিনি মাজা পানিতে নেমে নিজ হাতে প্রায় এক ঘন্টা যাবত কচুড়িপানা পারিষ্কার করেন। এসময় উপজেলার ভূমি কর্মকতা মোছাঃ তাছলিমা আক্তার, কৃষি কর্মকতা আবু তালহা সহ উপাজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকতা, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং স্থানিয় গ্রামপুলিশের সদস্যরা কচুড়িপানা পরিষ্কারের নেমে পড়েন। সরকারী কর্মকতাদের কচুড়িপানা পরিষ্কার করতে দেখে স্থানিয় সাধারণ মানুষও কচুড়িপানা পারিষ্কার করতে নেমে পড়েন। উপজেলা কর্মতারাদের এই কর্মকান্ড দেখতে কপোতাক্ষ নদের পাড়ে সাধারন মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়।
কপোতাক্ষের নদে পাড়ে উপস্থিত হালদার জানান, ৫০ বছরের অভিজ্ঞতা জীবনে এ রকম কখনো দেখিনি যে উপজেলার নির্বাহী কর্মকতা, উপজেলায় বিভিন্ন অফিসে কর্মরত লোকজন এবং ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা এভাবে কপোতাক্ষ নদ পরিষ্কার করতে। আজ সত্যিই খুব ভাল লাগছে। বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে আমাদের এ কপোতাক্ষ নদ মরতে বসেছে। বাপ দাদাদের কাছে শুনেছি এক সময় এ নদে জাহাজ চলত আজ বিভিন্ন মানুষের দখলের জন্য নদটা মরতে বসছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার মত এভাবে সবাই মিলে যদি এই নদ টার দেখভাল করে এবং এর পাড় গুলো দখল মুক্ত করে আবার খনন করে তাহলে এ নদ আবার প্রাণ ফিরে পাবে। আমি ইউএনও স্যারকে আর্শিবাদ করি তিনি যেন এভাবে সাধারণ মানুষের পাশে সাধারণের মধ্যে থেকে কাজ করে যায়।
কপোতাক্ষ পাড়ের বাসিন্দা সানোয়ার হোসেন জানান, এই প্রথম কোন উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা কে দেখলাম নিজ হাতে এভাবে কচুড়িপানা পারিষ্কার করতে। সত্যিই এটা মহেশপুরবাসীর বড় প্রাপ্তি। ইউএনও সাহেব যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তার জন্য মহেশপুরবাসী তাকে আজীবন মনে রাখবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা জনাব কামরুল ইসলামের বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশের বিভিন্ন নদ নদী দখল হয়ে যাচেছ। যেগুলো আছে তার সঠিক পরিচর্যার অভাবে মৃত প্রায়। আমরা আজ মহেশপুরের প্রসাশনের উদ্যোগে কপোতাক্ষ নদের কচুড়িপানা পারিষ্কারে নেমেছি। সমাজের সকল মানুষ যদি সহযোগীতার মাধ্যমে তাদের বাড়ির আসে পাশের নদ, নদী, খাল, বিল, পুকুর, ডোবা বা বিভিন্ন জলাশয়ের আর্বজনা পরিষ্কার রাখেন তাহলে আমাদের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং জীব বৈচিত্র রক্ষা পাবে। আমরা সর্বদা নদ-নদী রক্ষার্থে কাজ করে যাবে।
কমেন্ট বক্স