‘প্রাথমিক বৃত্তি নিয়ে বৈষম্য নয়, সাম্য চাই’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশন মেহেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এ কিন্ডার গার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার সকালে মেহেরপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশন মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি জানে আলমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কিডস ওয়ার্ল্ডের পরিচালক ফজলুল হক মণ্টু, শিক্ষক নাহিদা ইসলাম, জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক সামসুর রহমান টুটুল, অনামিকা আইডিয়াল স্কুলের মো. আনিসুর রহমান, ফ্রেন্ডস ফাউন্ডেশন স্কুলের মো. ইমরান খান, গাংনী প্রি-ক্যাডেট অ্যান্ড হাইস্কুলের শিক্ষক জালাল আহমেদ, প্রতিভা কিন্ডার গার্টেন অ্যান্ড জুনিয়র গার্লস হাইস্কুলের লালচাঁদ আলী এবং কুঁড়ির মেলা কিন্ডার গার্টেন বামুন্দীর মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় জেলার বিভিন্ন কিন্ডার গার্টেনের বিপুলসংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষার্থী মানববন্ধনে অংশ নেন। পরে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
অপর দিকে, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কিন্ডার গার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ না দিয়ে জেলায় জেলায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ঘেরা ও মার্চ ফর ঢাকা কর্মসূচি গ্রহণ হুঁশিয়ারি দিয়েছে ঝিনাইদহ কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির জেলা শাখা গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের ঝিনাইদহ জেলা শাখার সভাপতি শাহীনুর আলম লিটন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা নেতা গোলাম মোস্তফা চঞ্চল, আতিয়ার রহমান, বজলুর রহমান, কাজী মনজুরুল হক ও কামরুজ্জামান লিটন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বৃত্তি পরীক্ষা শুধু আর্থিক অনুদান নয়, এটি একটি শিশুর আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক স্বীকৃতি। শিশুদের এই মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার কারো ক্ষমতা নেই। অথচ সচিবালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ঘাপটি মেরে থাকা কুচক্রী মহল প্রাথমিক শিক্ষায় যুগান্তকারী অবদান রাখা কিন্ডার গার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ না দিয়ে বৈষম্যমূলক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। কিন্ডার গার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারলে যে মানসিক চাপ ও যন্ত্রণার শিকার হবে তার দায়-দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে।
সমীকরণ প্রতিবেদক