রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

হরিণাকুণ্ডুতে মাছ কেনাবেচা ও স্কুলছাত্রদের মারামারি নিয়ে রণক্ষেত্র

শতাধিক আহত, লুটপাট-ভাঙচুরে লাখ লাখ টাকার ক্ষতি
  • আপলোড তারিখঃ ১৯-০৫-২০২৫ ইং
হরিণাকুণ্ডুতে মাছ কেনাবেচা ও স্কুলছাত্রদের মারামারি নিয়ে রণক্ষেত্র

বাজারে মাছ কেনাবেচা ও পোড়াহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মারামারিকে কেন্দ্র করে দিনভর উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয় ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের চরপাড়ায়। গতকাল রোববার দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শৈলকুপার মালমারি, মির্জাপুর ও হরিণাকুণ্ডুর চরপাড়া বাজারে দুই পক্ষের ব্যবসায়ীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত শতাধিক মানুষ আহত হন।


চরপাড়া বাজারের ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালমারি-মির্জাপুর গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাজারে হামলা চালায়। বিভিন্ন দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। বাধা দিতে গেলে সংঘর্ষ বাধে। তারা বলেন, বাজারে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মালমারি-মির্জাপুরের লোকজন অন্তত ২০টি দোকান ভাঙচুর করেছে এবং লুট করে নিয়ে গেছে মালামাল।


এদিকে, পোড়াহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ দৈনিক সময়ের সমীকরণকে জানান, বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিফাতের সঙ্গে অন্যান্য ছাত্রদের মারামারি হয়। থানায় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।


রঘুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বশির উদ্দিন বলেন, মালমারি-মির্জাপুর গ্রামের লোকজন মাছ কেনাবেচা নিয়ে বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গোলযোগে জড়ায়। পরে সংঘবদ্ধ হয়ে চরপাড়া বাজারে হামলা ও লুটপাট চালায়। ব্যবসায়ীরা বাধা দিলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। এতে অন্তত শতাধিক লোক আহত হয়েছেন।


হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বি এম তারিকুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়েই আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করি। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’


হরিণাকুণ্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম এ রউফ বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পর চরপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে আমি অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ 




কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত