দামুড়হুদায় আগুনে পুড়ে আরিসা (৫) নামের এক শিশু গুরুতর দগ্ধ হয়েছে। গতকাল শনিবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার রামনাগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিকেল ৪টার দিকে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করা হয়। দগ্ধ আরিসা রামনাগর গ্রামের রাজমিস্ত্রি কলম আলীর মেয়ে।
জানা গেছে, দুপুরের পর ঘরে শিশু আরিসাকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে মা পিংকি খাতুন বাইরে রান্না করছিলেন। এসময় তার ১২ বছরের ছেলে আরাফাত হোসেন পাটকাঠিতে আগুন জ্বালিয়ে খেলছিল। হঠাৎ আগুন ঘরে লেগে যায়। যতক্ষণে শিশু আরিসার কথা মনে পড়ে, ততক্ষণে আগুন সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘরে ঢুকে শিশুটিকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

কলম আলী বলেন, ‘ছেলে পাটকাঠিতে আগুন জ্বালিয়ে খেলছিল। এ সময় আগুন ঘরে লেগে যায়। ঘরে আমার মেয়ে আরিসা ঘুমিয়ে ছিল। কিন্তু আগুনের কারণে প্রথমে কেউ ভেতরে ঢুকতে পারছিল না। পরে গায়ে ভেজা কাঁথা জড়িয়ে আমি ঘরে ঢুকে মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। কিন্তু তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আফরিনা ইসলাম তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করেন। বিকেলেই তাকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।
সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আফরিনা ইসলাম বলেন, ‘শিশুটির শরীরের ৪০ শতাংশের বেশি অংশে আগুনে দগ্ধ হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।’
সমীকরণ প্রতিবেদন