শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

দর্শনায় তিন দফায় বোমা উদ্ধার, এক মাসেও উদ্ঘাটন হয়নি নেপথ্য!

  • আপলোড তারিখঃ ২৮-০৩-২০২৫ ইং
দর্শনায় তিন দফায় বোমা উদ্ধার, এক মাসেও উদ্ঘাটন হয়নি নেপথ্য!


দর্শনা কেরু চিনিকল এলাকায় তিন দফায় বোমা উদ্ধারের ঘটনার এক মাস পেরিয়ে গেলেও নেপথ্যে কারা, তা এখনো উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। তবে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে দর্শনা থানা পুলিশ। এ নিয়ে দর্শনা পৌর শহর ও কেরু অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ মনে করছেন, রাসেল উদ্দিন টগরই কি মূলহোতা, নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কেউ? বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন। তবে প্রকৃত মাস্টারমাইন্ড কে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শহীদ তিতুমীর বলেন, ‘এখনো তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা সম্ভব নয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবে, তার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

প্রায় দেড় মাস ধরে দর্শনা থানা পুলিশ এ বিষয়ে গভীর অনুসন্ধান চালিয়ে আসছে। গত ২৪ মার্চ বিকেল সাড়ে ৫টায় দর্শনা বাসস্ট্যান্ডের সুমনের চায়ের দোকান থেকে সন্দেহভাজন আসামি রাসেল উদ্দিন টগরকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়। থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শহীদ তিতুমীরের নেতৃত্বে পুলিশ দল এ অভিযান চালায়। এর আগে গত ১৫ মার্চ বোমা রাখার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে কেরুজ শ্রমিক মিরাজুল হকের ছেলে রানা (৩৫) ও একই গ্রামের লিপন (৩৪)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।

এখন প্রশ্ন উঠেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা কি সত্যিই মূলহোতা, নাকি তারা কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার? নাকি কেউ চাকরি বাঁচাতে এ ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্তের দাবি তুলেছেন এক শ্রমিক নেতা। তিনি জানান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমানের ছেলে গত স্থগিত হওয়া নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী ছিলেন। যখন নির্বাচন জমে উঠছিল, তখনই হঠাৎ করে সৌমিক হাসান রূপমকে পঞ্চগড় মিলে বদলির ঘটনাটি ঘটে। এতে কোনো পক্ষ কেরু চিনিকল এলাকায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে একের পর এক ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে। এদিকে, পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এখনো তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করার অপেক্ষায় আছেন।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে কেরু চিনিকল এলাকায় তিন দফায় ১২টি বোমা উদ্ধার করা হয়। রাজশাহী ও যশোর ক্যান্টনমেন্টের সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল এসে উদ্ধারকৃত বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করে।



কমেন্ট বক্স
notebook

আরো ১১ বোয়িং বিমান কিনছে বাংলাদেশ