চুয়াডাঙ্গায় ৫২ বছর বয়সী এক গৃহকর্মীকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এসময় স্থানীয়রা অভিযুক্ত স্বাধীন (৩০) নামের এক যুবককে আটক করে গণধোলাই দেয়ার পর থানা পুলিশে সোপর্দ করে। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ পার্ক সংলগ্ন মাথাভাঙ্গা নদীর পাড়ে এ ঘটনা ঘটে।
পরে স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়। অভিযুক্ত স্বাধীন ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার রেলস্টেশন পাড়ার আব্দুল মজিদের ছেলে।
এদিকে, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহকর্মী নিজে বাদী হয়ে দুপুরেই সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১৮, তারিখ: ১৭/০৩/২০২৫। মামলটি ২০০০ সালের সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০২০ এর ৯(৪) (খ) ধারায় এজাহারভুক্ত হয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহকর্মী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের বিপরীতে মৃত মারি মিয়ার বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করেন। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মারি মিয়ার বাড়ির উদ্দেশ্যে মাথাভাঙ্গা নদীর ধার দিয়ে পুলিশ পার্কের কাছে পৌঁছালে অভিযুক্ত স্বাধীন অতর্কিতভাবে তাকে জাপটে ধরে। এবং তার পোশাক ছিঁড়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
ভুক্তভোগী গৃহকর্মী বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো সকালে কাজের জন্য নদীর পাড় দিয়ে যাচ্ছিলাম। পুলিশ পার্কের কাছে পৌঁছালে হঠাৎ করেই পেছন থেকে আমাকে জাপটে ধরে। এসময় বাঁধা দিলে আমার পোশাক ছিড়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। আমি সাহায্যের জন্য চিৎকার করলে নদীর ওপার থেকে শিরিনা খাতুন ও রুপা নামের দুজন নারী নদীর সাঁতরে এসে আমাকে রক্ষা করে।’
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী নিজে বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্তকে দুপুরে পরেই আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।’
সমীকরণ প্রতিবেদন