শামিম রেজা সংবাদ সম্মেলন
- আপলোড তারিখঃ
০৬-১০-২০১৭
ইং
মেহেরপুরে পরিবারের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচারের দাবীতে
মেহেরপুর অফিস: মেহেরপুর শহরের পেয়াদাপাড়ার মৃত রেজাউল হকের ছেলে শামিম রেজা নিজের এবং তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় মেহেরপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার বসত বাড়ির পৈতৃক ভিটা ৬ শতক জমি। যা আমি দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছি। আমার প্রতিবেশি মৃত নুর মহাম্মদের ছেলে রফিকুল ইসলাম সাড়ে ৪ শতক জমি তার নিজের বলে দাবী করে আসছে। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন ভাবে হত্যার হুমকি দিয়েছে। এমত অবস্থায় আমি নিজেকে রক্ষার জন্য বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৪৫ ধারায় একটি মামল দায়ের করি। যার পিটিশন নম্বর- ২১৬/১৭। বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামলা গ্রহনের পর থানা কর্তৃপক্ষকে শান্তি শৃংখলা রাখার এবং ভ’মি সহকারী কর্মকর্তাকে দখল সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। সেই মোতাবেক মেহেরপুর সদর থানাকে শান্তি শৃংখলা ভঙ্গ না হয় সেই তদন্ত পূর্বক উভয় পক্ষকে নোটিশ দেন। এবং ভূমি সহকারী কর্মকর্তা দখল সংক্রান্ত বিষয়ে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এ বিষয়ে আসামীরা জানতে পেরে গত ২৫/০৯/১৭ তরিখ বেলা ১১টার দিকে আমার প্রতিবেশি রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ৮/১০ জন জোর পূর্বক আমার বাড়ির জমির সীমানা প্রাচির ভেঙ্গে প্রবেশ করে বসত ঘরে থাকা জিনিসপত্র ভাংচুর ও নগদ ২০হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ওই সময় তারা বাড়ির মহিলাদের বিভিন্নভাবে হেনস্থা করে এবং বাড়িতে অবস্থানকারী আমার স্ত্রী,ছেলে ও শালাকে বেপরোয়াভাবে মারধর করে। খবর পেয়ে আমি বাড়িতে প্রবেশ করলে আসামীরা আমাকে খুন করার উদ্দ্যেশে মারধর শুরু করে। আমার চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনকে উদ্ধ্ার করে। পরে আমাদের মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়। সংবাদ সম্মেলনে শামিম রেজা আরও বলেন, এ ঘটনার পর থেকে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তার অভাবে আছি। যে কোন সময় আবার আমাদের উপর আসামীরা হামলা করতে পারে বলে আশংকা করছি। যে কারনে পরে আমি মেহেরপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার নামের রেজিস্ট্রিকৃত ৬ শতক জমি ভুল বশত প্রতিবেশি মৃত নুর মহাম্মদের নামে আর এস পতিত শ্রেণী হিসাবে রেকর্ড হলে আমি মেহেরপুর সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা করি। যার নম্বর-২২১/২০১৭ তারিখ-০৭-/০৯/২০১৭ । তিনি সংবাদ সম্মেলনে তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠ বিচারের দাবী জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আলামিন হোসেন, প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক রফিক-উল আলম, উপদেষ্টা কামরুজ্জামান খান সহ জেলায় কর্মরত ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
কমেন্ট বক্স