সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

বাড়ী কেনা নিয়ে বিরোধ

  • আপলোড তারিখঃ ২৬-০৯-২০১৭ ইং
বাড়ী কেনা নিয়ে বিরোধ
জীবননগর দোয়ারপাড়ায় খাস জমিসহ জীবননগর অফিস: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার পৌর এলাকার দোয়ারপাড়ায় সরকারী খাস জমিসহ বাড়ী কেনাকে কেন্দ্র করে দু’টি পরিবারের মধ্যে সৃষ্ট ঘটনায় পৌরসভার পক্ষে দু’জন কাউন্সিলর থানা পুলিশের উপস্থিতিতে ভুমিহীনের বাড়ী ঘরে তালা মেরে দেয়া হয়েছে। প্রায় এক মাস আগে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল তালা মারার পর ভুমিহীন রুহুল আমিন ওই তালা খুলে ঘরে প্রবেশ করায় গত শুক্রবার সকালে পৌরসভার দু’জন কাউন্সিলর প্রতিপক্ষদের নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে আবারও তালা ঝুঁলিয়ে দিলে বিপাকে পড়েন ভুমিহীন রুহুলের পরিবার। জীবননগর পৌর এলাকার দোয়ারপাড়া গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে ভুমিহীন রুহুল আমিন রুলা (৩৩) বলেন, প্রতিবেশী শাহাজান আলীর স্ত্রী নুরজাহানের দখলে থাকা খাস জমিতে থাকা বাড়ী দীর্ঘ ৩-৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত থাকার পর আমার নিকট সম্প্রতি ৯০ হাজার টাকা নিয়ে বিক্রি করে দেয়। নুরজাহান তার বাড়ীতে আমাদেরকে উঠিয়ে দিয়ে যায়। আমি সাদা কাগজের মাধ্যমে তার নিকট থেকে জমিসহ বাড়ী ক্রয় করি। পরবর্তীতে নুরজাহান আবারও তার বাড়ীটি প্রতিবেশী আজিবরের নিকট বিক্রি করে দেয়। নুরজাহান বর্তমানে লক্ষীপুরে জমি কিনে সেখানে দালান বাড়ী করে বসবাস করছে। এঘটনা নিয়ে আজিবরের সাথে আমাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নুরজাহান আজিবরের পক্ষ নিয়ে এলাকার রমজান, বিশা, আনারুলদের নিয়ে যেয়ে আমার ঘরে তালা মেরে দেয়। ঘটনাটি নিয়ে পৌরসভায় বিচার দেয়। আমি পৌর মেয়রের নিকট অনুরোধ করেছিলাম বিচারে যা হয় হবে, ঘরের ভিতরে আমার স্কুলপড়–য়া সন্তানদের বইগুলো বের করে দেয়া হোক। কিন্তু আমার সে দাবী রাখা হয়নি। ফলে আমার সন্তানের লেখাপড়া বন্ধ হয়েছে। অভিযুক্ত নুরজাহান গত বৃহস্পতিবার বিবাদমান সমস্যা নিয়ে পৌরসভার বিচার বিভাগে প্রথমে জানান, রুহুল আমিন রুলারা তার ঘরে চারদিন ধরে বসবাস করার পর আমি আজিবরের নিকট বিক্রি করেছি। তার এ বক্তব্যের সাথে সাথে তা থেকে সরে এসে বলেন আমার মাথায় ঠিক নেই। আমি কি বলতে কি বলছি। আমি আগে আজিবরের নিকট বিক্রি করেছি। আর রুহুল আমিনের নিকট আমি জমি বিক্রি করিনি এবং তারা যে কাগজ দেখাচ্ছে তাতেও আমি সই করিনি। পৌর কাউন্সিলর আবুল কাশেম বলেন, বিবাদমান বিষয়টি নিয়ে পৌরসভায় বিচার সালিস চলছিল। যার পরবর্তী ধার্য তারিখ আগামী সোমবার। এ অবস্থায় পৌরসভাকে অমান্য করে রুলা ঘরের তালা খোলে। এখানে পৌরসভার মান-সন্মানের ব্যাপার। যে কারণে আমরা আবার ঘরে তালা মেরে দিয়েছি। জীবননগর থানার সাব-ইন্সপেক্টর হাবিবুর রহমান বলেন, পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম ওসি সাহেবকে ঘটনার ব্যাপারে ফোন দিয়েছিলেন। আমি ওসি সাহেবের কথা মত সেখানে যাই। সেখানে আমরা কাউকে উচ্ছেদও করতে যাইনি আবার কাউকে তুলে দিতেও যাইনি। সেখানে থাকা কালে কাউন্সিলর আবুল কাশেম ও আত্তাব উদ্দিন যান। তারপর আর কিছু লোকজন পৌরসভা থেকে যায়। পুলিশ কারো ঘরে তালা মারেনি। তালা মেরেছে পৌরসভার লোকজন। সেখানে ওই দুই কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন।


কমেন্ট বক্স
notebook

দুর্ঘটনায় নিহত রুয়েট শিক্ষার্থী রাফিদের লাশ চুয়াডাঙ্গায়