চুয়াডাঙ্গায় পৃথক স্থানে তিনজনকে কুপিয়ে জখম
- আপলোড তারিখঃ
১১-০৫-২০২৩
ইং
সমীকরণ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় পৃথক স্থানে তিনজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার সকাল আটটার দিকে চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার ও বিকেল চারটার দিকে সদর উপজেলার মোমিনপুরে এ ঘটনা ঘটে।
চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার:
চুয়াডাঙ্গা নিচের বাজারে মুরগী বিক্রেতার বিরুদ্ধে হোটেল মালিক মুকুল বিশ্বাস (৫০) ও মাছ বিক্রেতা জাহিদ হোসেনকে (৪৬) কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে বড় বাজার মুকুলের হোটেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। আহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ইসলাম পাড়ার মৃত আবুল বিশ্বাসের ছেলে মুকুল বিশ্বাস (৫০) এবং জ্বীনতলাপাড়ার মৃত জুড়ান সরওয়ারের ছেলে মাছ বিক্রেতা জাহিদ (৪৬)। অভিযুক্ত মুরগী বিক্রেতা শাওন (২৭) পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে।
জানা যায়, গতকাল সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জাহিদ ও শাওন খাবার খাওয়ার জন্য মুকুলের হোটেলে যায়। এসময় হোটেলে রান্না করা মুরগীর মাংস নিয়ে তাদের মধ্যে মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এরই এক পর্যায়ে মাছ বিক্রেতা জাহিদকে মাংস কাটা বটি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে শাওন। এসময় শাওনকে ঠেকাতে গেলে হোটেল মালিক মুকুলও জখম হন।
পরে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। এসময় জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক নূর জাহান দুজনকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখেন। এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাব্বুর রহমানের বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত শাওনকে আটক করা হয়েছে।’
মোমিনপুর:
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মোমিনপুরে তারিক (৩২) নামের এক যুবককে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। গতকাল বিকেল চারটার দিকে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়। তারিক মোমিনপুর গ্রামের কেনালপাড়ার হাসু মন্ডলের ছেলে। হাসু মন্ডল, ‘অনেক দিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। আজ সকালে আমার ছেলে পানবরজের জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য আলী ড্রাইভারের জমির ওপর দিয়ে পলিথিনের পাইপ নেয়। এসময় একই গ্রামের নওদাপাড়ার নহর মন্ডলের দুই ছেলে আজিবর (৬০) ও জামালের (৪০) সাথে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। এর একপর্যায়ে আজিবর ও জামাল এবং আজিবরের ছেলে রনি (২২) দা ও কোদাল দিয়ে আমার ছেলেকে আঘাত করে জখম করে।’
তিনি আরও বলেন, পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদিয়া মারিজ তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পুরুষ সার্জারি বিভাগে ভর্তি রাখেন।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাব্বুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত করব।’
কমেন্ট বক্স