রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত দেশ গড়ার অঙ্গীকার

  • আপলোড তারিখঃ ১৭-১২-২০২১ ইং
শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত দেশ গড়ার অঙ্গীকার

চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহসহ সারা দেশে মহান বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন

  এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা/ আমরা তোমাদের ভুলব না/ দুঃসহ বেদনার কণ্টক পথ বেয়ে/ শোষণের নাগপাশ ছিঁড়লে যারা/ আমরা তোমাদের ভুলব না... যাদের আত্মদানে পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে এসেছে স্বাধীনতা, মুক্ত আকাশে উড়েছে বিজয় কেতন- সেই বীর সন্তানদের বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছে জাতি। বাঙালির হাজার বছরের শৌর্যবীর্য ও বীরত্বের অবিস্মরণীয় দিন মহান বিজয় দিবসের ৫০ বছর উদ্যাপন করল দেশ। আকাশে-বাতাসে ধ্বনিত হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার। শহিদদের স্বপ্ন পূরণে উগ্রবাদের মূলোৎপাটন ও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত করার প্রত্যয় জানিয়েছে সর্বস্তরের মানুষ। করোনা মহামারির এই দুঃসময়কে জয় করে গণতান্ত্রিক, শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত দেশ গড়ারও অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর চৌকস দল রাষ্ট্রীয় স্যালুট জানায়। এরপর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে ও প্রধানমন্ত্রীর বোন শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহতসহ বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সকালে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিএনপির পক্ষ থেকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল প্রথম প্রহরে ৫০ বার তোপধ্বনি, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ ও শরীর চর্চা প্রদর্শনি, আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, উন্নতমানের খাবার পরিবেশন ও পুরস্কার বিতরণ। চুয়াডাঙ্গা: মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর বিজয়ের আনন্দে সারা দেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গায় উদ্যাপিত হয়েছে সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিজয়ের ৫০ বছর উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম প্রহরে ৫০ বার তোপধ্বনি, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকাল আটটায় পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে কুচকাওয়াজ ও শরীর চর্চার আয়োজন করা হয়। বিজয় দিবস উপলক্ষে জেলার সব সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা, ব্যাংক-বীমা অফিস, দোকান-পাটগুলো বর্ণিল আলো-ঝলমল সাঁজে সজ্জিত করা হয়। একই সঙ্গে সঠিক মাপ ও রংয়ের জাতীয় পতাকা এবং রঙিন পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিজয়ের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা জানানো হয়। জেলা তথ্য অফিসের ব্যবস্থাপনায় চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও ভিজে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। দুপুরে সদর হাসপাতাল, জেলা কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী স্কুলে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। জেলার সব মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডাসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতির শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ (..............৩য় পাতার ১ কলামে) `` প্রার্থনা করা হয়। সন্ধ্যায় ডিসি সাহিত্য মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বর্ণিল আতশবাজী ও ফানুস উৎসবের মধ্যদিয়ে বিজয় দিবসের আনন্দমুখর আয়োজন সমাপ্ত হয়। প্রথম প্রহরে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন: সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা মাথাভাঙ্গা নদীর কূলঘেষা শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তর্বক অর্পণ করেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার ও পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম। সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং শহিদদের আত্মার মাগফিরাত, দেশ এবং জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। এরপর চুয়াডাঙ্গা পৌর পরিষদ, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. সাইফুর রশিদ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, সিভিল সার্জন, স্বাস্থ্য বিভাগ, গণপূর্ত বিভাগ, সড়ক বিভাগ, চুয়াডাঙ্গা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস, এনজিও, সামাজিক ও সংস্কৃতিক সংগঠন এবং পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুরাতন স্টেডিয়ামে সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, শরীরচর্চা ও পুরস্কার বিতরণ: জাতিরাষ্ট্র গঠনের জন্মযুদ্ধে বাঙালির বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি তথা বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম। এসময় শান্তির প্রতীক শ্বেত কপোত অবমুক্ত করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তাঁরা। গার্ড অব অনারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে চৌকস প্রহরায় কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক সবার উদ্দেশ্যে দেশের মহান স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে সুখী, সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ভাষণ দেন। বক্তব্য শেষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মনোজ্ঞ মার্চপাস্ট ও সালাম গ্রহণ করেন প্রধান অতিথি। এরপর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন কর্তৃক শরীরচর্চা প্রদর্শনী উপভোগ করেন তাঁরা। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল বাংলাদেশ পুলিশ, বিএনসিসি, রোভার স্কাউটস, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আনসার-ভিডিপি, বয়েজ স্কাউটস, গার্লসগাইড, শিশুপরিবার, মুকুলফৌজ, হলদে পাখি, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সংগঠন। কুচকাওয়াজ শেষে রকমারী সাঁজে নান্দনিক শরীরচর্চা প্রদর্শন করেন অংশগ্রহণকারীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাজিয়া আফরিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাসসহ জেলার সব পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। আনুষ্ঠানিকতা শেষে কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লেসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। কুচকাওয়াজ ‘ক’ বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে গার্লস ইন রোভার সরকারি আদর্শ মজিলা কলেজ, ২য় স্থান অধিকার করে সরকারি শিশু পরিবার ও তৃতীয় স্থান অধিকার করে গার্লস গাইড ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। ‘খ’ গ্রুপে প্রথম ফার্মপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে পুলিশ লাইনস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তৃতীয় স্থান অধিকার করে। ডিসপ্লে প্রদর্শনে ‘ক’ গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করে সরকারি শিশু পরিবার, ২য় স্থান অধিকার করে চুয়াডাঙ্গা বুদ্ধি প্রতিবন্ধি অটিস্টিক স্কুল প্রকাশ এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ। ‘খ’ গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করে কাবদল (ছাত্রী) ইসলাম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে কাবদল (ছাত্রী) রেলবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান: বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মহান বিজয় দিবস-২০২১ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে ডিসি সাহিত্য মঞ্চে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশের মানুষের কথা ভাবতেন। এ দেশের মানুষের জন্য জীবনের বেশিরভাগ সময় তাঁকে জেলে কাটাতে হয়েছে। পাকিস্তানিদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে আমরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে আমরা এ দেশকে স্বাধীন করেছি। আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ভুখণ্ড একটি লাল-সবুজের পতাকা। আজ আমরা বলতে পারি বাংলা আমার দেশ, বাংলা আমার ভাষা। চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুন্সী আবু সাঈফের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার মেজর (অব.) খোন্দকার সাইদুর রহমান (বীর প্রতীক), বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হোসেন ও নুরুল ইসলাম মালিক। আলোচনা সভার শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, গীতাপাঠ, বাইবেল পাঠ, শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধ পরবর্তী যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ মারা গেছেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। আলোচনা সভা শেষে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এবং জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। উন্নতমানের খাবার পরিবেশন: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল, সরকারি শিশু পরিবার (এতিমখানা), জেলা কারাগার ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী স্কুলে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে। পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধাগণকে সংবর্ধনা প্রদান: মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন উপলক্ষে প্রতিবারের ন্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলায় বসবাসরত ২০ জন পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বেলা দেড়টায় পুলিশ লাইনস ড্রিলসেডে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) কনক কুমার দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আনিসুজ্জামান ও সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) মুন্না বিশ্বাস। উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথি ও পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ পুলিশ লাইন্সে মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের কর্মসূচি: মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছয়টায় জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সকাল ৭টায় শহিদ হাসান চত্বরে অবস্থিত শহিদ বেদীতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুনের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামী লীগ। সকাল সাড়ে ১০টায় শহরে আনন্দ মিছিল বের হয়। আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুনের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খুস্তার জামিল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুজ্জামান লিটু, যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আরেফিন আলম রঞ্জু, জাতীয় শ্রমিক লীগ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি আফজালুল হক বিশ্বাস, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুন্নাহার কাকলী, যুব মহিলা লীগের সভাপতি আফরোজা পারভিন ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাইমেন হাসান জোয়ার্দ্দার অনিক। চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির কর্মসূচি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবদী দল বিএনপি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে জেলা বিএনপি গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে। সকালে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব শরীফুজ্জামান শরীফের নেতৃত্বে একটি বিজয় র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার শহিদ হাসান চত্বরে অবস্থিত শহিদ বেদীতে শহিদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার আব্দুল জব্বার সোনা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ও পৌর নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মনি, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক আবু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ও মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী রউফুন্নাহার রিনা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ও মহিলা দলের নেত্রী জাহানারা পারভীন, পৌর বিএনপির সহসভাপতি খাইরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম পিটু, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম প্রমুখ। চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের কর্মসূচি: যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী যুবলীগ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলা যুবলীগের কার্যালয়ের সামনে জাতীয় সংগীতের তালে তালে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার। সকাল সাড়ে ৬টায় নঈম হাসান জোয়ার্দ্দারের নেতৃত্বে জেলা যুবলীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিযোগে চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার শহিদ হাসান চত্বরে অবস্থিত শহিদ বেদীতে শহিদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়াও বেলা তিনটায় জেলা যুবলীগের কার্যালয় থেকে একটি বিজয় র‌্যালি বের করা হয়। মিছিলটি জেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা পুরাতন স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়। বিকেল সাড়ে ৪টায় বিজয় দিবসের দিনে দেশবাসীকে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের শপথ পাঠ করান প্রধানমন্ত্রী। সারা দেশের ন্যায় জেলা আওয়ামী যুবলীগও শপথপাঠ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান জিল্লু, জেলা যুবলীগের সদস্য সাজেদুল ইসলাম লাভলু, আজাদ আলী, হাফিজুর রহমান হাপু, আবু বক্কর সিদ্দিক আরিফ, আলমগীর আজম খোকা প্রমুখ। এদিকে, চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়। যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে তারা। চুয়াডাঙ্গা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মসূচি: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় চুয়াডাঙ্গা কেদারগঞ্জ নতুন বাজারে দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধু ও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সাবেক পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু, সদর থানা কৃষক লীগের আহ্বায়ক আব্দুল মতিন দুদু, যুগ্ম আহ্বায়ক আলো, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর মাফিজুর রহমান মাফি, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জানিফ প্রমুখ। স্বপ্ন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের খাবার বিতরণ: বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে স্বপ্ন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন চুয়াডাঙ্গার উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন জায়গায় অসহায় ও পথ শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সভাপতি রাবেয়া মল্লিক, সহসভাপতি নয়ন আহমেদ, তথ্য ও শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ইমন বিশ্বাস ও প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গ্রুপ সদস্য মিনারুল ইসলাম জাকারিয়া, সানজিদ, মুস্তাফিজুর আরিয়ান, তারেক রহমান, সাইমন কবীর, হাবিবুর রহমান, সাইরিন সুবর্ণা, খাদিজা বিশ্বাস, নুরজাহান ও নাসরিন রিয়া। সরোজগঞ্জ: মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিজয় দিবসের র‍্যালির ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি পালনে সরোজগঞ্জ তেঁতুল শেখ কলেজ, সরোজগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়, সরোজগঞ্জ সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়, নবীননগর সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়, সরোজগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরোজগঞ্জ বেবী নার্সিং স্কুল, সরোজগঞ্জ শিশু নিকেতন, সরোজগঞ্জ সোনামণি কিন্ডার গার্টেন, সরোজগঞ্জ আন নূর ইসলামী একাডেমি, বোয়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাসানহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মহম্মদজমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভুলটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বহালগাছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুবদিয়া সরকারে প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বল্প পরিসরে মহান বিজয় দিবসে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। আলমডাঙ্গা: আলমডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৫০ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির শুভ সূচনা করা হয়। সকাল ৭টায় পৌরসভার সকল সড়ক ও প্রধানসড়ক পৌর মেয়রের নেতৃত্বে জাতীয় পতাকা দ্বারা সজ্জিত করা হয়। এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল সাড়ে ৭টায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ শেষে আলমডাঙ্গা শহিদ মুক্তিযোদ্ধা সমাধি ও বধ্যভূমি বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স চত্ত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রনি আলম নূর, উপজেলা চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসেন, আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. সালমুন আহম্মদ ডন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মারজাহান নিতু, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজোয়ানা নাহীদ, সাবেক কমান্ডার শফিউর রহমান জোয়ার্দ্দার সুলতান, আলহাজ্ব শেখ নুর মোহাম্মদ জকু, আব্দুল কুদ্দুস, এম সবেদ আলী, ডা. শাহাবুদ্দিন, অ্যাড. আব্দুর রশিদ, মঈনদ্দীন আহম্মেদ, খন্দকার ইসমাইল হোসেন, নুরুজ্জামান, আবুল কাশেমসহ মুক্তিযোদ্ধারা। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। কুচকাওয়াজে অংশ নেয় পুলিশ প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, আনছার ভিডিপিসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টায় একটি বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালি বের হয়। পরে উপজেলা মঞ্চে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রনি আলম নূর। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আইয়ুব হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়রম্যান অ্যাড. সালমুন আহম্মেদ ডন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মারজাহান নিতু, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সোহেল রানা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউর রহমান সুলতান জোয়ার্দ্দার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস। এছাড়াও বক্তব্য দেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল কুদ্দুস, বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈনদ্দীন, এম সবেদ আলী, নুরুজ্জামান, আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার শাহ আলম মণ্টু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হামিদুল ইসলাম আজম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মজিবর রহমান প্রমুখ। এদিকে, আলমডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সকাল ৮টায় দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান শেষে র‍্যালি সহকারে শহিদ মাজারে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান কাদির গনু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী, সহসভাপতি লিয়াকত আলী লিপু মোল্লা, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান ফারুকসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। পরে দলীয় অফিসে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র হাসান কাদির গনু। বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী মাস্টার, জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী খালেদুর রহমান অরুণ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলহাজ্ব লিয়াকত আলী লিপু মোল্লা, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সম্পাদক মতিয়ার রহমান ফারুক, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবু মুছা, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আতিয়ার রহমান, আলম হোসেন, উপপ্রচার সম্পাদক মাসুদ রানা তুহিন, চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক, সাইফুর রহমান পিণ্টু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান সালমুন আহম্মেদ ডন, সাধারণ সম্পাদক আলাল উদ্দিন, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আশরাফুল হক, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি নয়ন সরকার, সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান তমাল প্রমুখ। অপর দিকে, মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালি ও আলোচনা সভা করেছে বিএনপি। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরে এক বিশাল র‌্যালি বের হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব শরীফুজ্জামান শরীফের নেতৃত্বে র‌্যালিতে অংশ নেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল জব্বার সোনা, আলমডাঙ্গার বিএনপি নেতা আব্দুল জব্বার, এমদাদুল হক ডাবু, পৌর বিএনপির সভাপিত আনিসুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান পিণ্টু, নাসির উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান তবারক হোসেন, বিএনপি নেতা আসিরুল ইসলাম সেলিম প্রমুখ। দামুড়হুদা: দামুড়হুদায় মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের সুর্বণজয়ন্তী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আটকবরে শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়। এসময় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাসলিমা আক্তার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলি মুনছুর বাবুসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিস ও প্রতিষ্ঠান। এরপর বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে উপজেলা শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ, শরীরচর্চা প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টায় মহান বিজয় দিবস ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাসলিমা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজি আলী আজগর টগর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলী মুনছুর বাবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মনজু, বীর মুক্তিযোদ্ধা তমছের আলী, আছির আহাম্মদসহ দামুড়হুদা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধারা। দর্শনা: মহান বিজয় দিবস, বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দর্শনা পৌরসভার আয়োজনে দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, থিয়েটার গ্রুপ ও পেশাজীবি ২৮টি সংগঠন দর্শনা কেরু চিনিকলের ফুটবল মাঠে বিজয় দিবসের নানা কর্মসূচি পালন করেছেন। এসব কর্মসূচির মধ্যে ছিল সকাল সাড়ে ৮টায় দর্শনা কেরু চিনিকলের ফুটবল মাঠে নিজ নিজ সংগঠনের ব্যানার নিয়ে উপস্থিতি। সকাল ৯টায় জাতীয় সংগীতের সাথে জাতীয় পতাকা ও মুক্তিযুদ্ধের পতাকা উত্তোলন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ। উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান। এরপর উপস্থিত সকল সংগঠনের সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন। শপথ বাক্য পাঠ শেষে প্রত্যেক সংগঠন এক সাথে র‌্যালি করে দর্শনা কেরু আনন্দ বাজার চত্বরে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পর্যায়ক্রমে সংগঠনগুলা পুস্পমাল্য অর্পণ করে। এসব সংগঠনের মধ্যে ছিল দর্শনা পৌরসভা, দর্শনা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ওয়েভ ফাউন্ডেশন, দর্শনা অনির্বাণ থিয়েটার, দর্শনা প্রেসক্লাব, দর্শনা সরকারি কলেজ, দর্শনা রিকশা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন, চুয়াডাঙ্গা আন্তঃ ট্রাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়ন, মেমনগর বিডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হিন্দোল সংগীত পরিষদ, দর্শনা গণউন্নয়ন গ্রন্থাগার, শান্তিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্যামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পরাণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, থানা প্রেসক্লাব, দর্শনা ডিএস ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা, দর্শনা দক্ষিণ চাঁদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দর্শনা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাথাভাঙ্গা যুব সংঘ, পশ্চিম রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মৌচাক সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা, উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দর্শনা পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান। পরে সন্ধ্যায় দর্শনা অনির্বাণ থিয়েটারের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনোয়ার হোসেনের নির্দেশনায় দর্শনা কেরুজ ক্লাব মাঠে নাটক ‘মানব’ পরিবেশিত হয়। কার্পাসডাঙ্গা: দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। বিকেল চারটায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজীর আহমেদের নেতৃত্বে বিজয় র‍্যালি বের করা হয়। পরে র‌্যালিটি আলোচনা সভায় একত্রিত হয়। কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল কাদের বিশ্বাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালাম বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুর রহমান মুকুল, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান কচি, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সানাউল কবির শিরিনসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। আলোচনা সভায় বক্তারা বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরেন। শহিদদের আদর্শ বাস্তবায়ন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও শোষণহীন সমাজ এবং সমৃদ্ধশীল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। এছাড়াও কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ, কার্পাসডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কার্পাসডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ, হাদিকাতুল মাদ্রাসা, আলিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা, কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কার্পাসডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠান দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন করে। নতিপোতা: মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন উপলক্ষে দামুড়হুদার নতিপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভগিরথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হেমায়তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কুচকাওয়াজ, খেলা, কুইজ, রচনা, চিত্তাঙ্কন, আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নতিপোতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইয়ামিন আলী, নতিপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ, শিক্ষক তানজুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা সাইদুর রহমান, সাংবাদিক তৌহিদ তুহিন প্রমুখ। জীবননগর: জীবননগরে মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় জীবননগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জীবননগর থানা মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, শরীরচর্চা প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজি আলী আজগার টগর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজি হাফিজুর রহমান, জীবননগর পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোর্তুজা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জীবননগর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম ঈশা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়েসা সুলতানা লাকী, বীর মুক্তিযোদ্ধা নিমাজ উদ্দিন, দলিল উদ্দিন, সাইদুর রহমান, জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক, জীবননগর প্রেসক্লাবের সভাপতি এম আর বাবু, জীবননগর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি জাহিদ বাবু, জীবননগর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুন্সি নাসির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, জীবননগর পৌর যুবলীগের সভাপতি শাহ আলম শরিফুল ইসলাম ছোট বাবু, সাধারণ সম্পাদক মজিবার রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সৈয়দ আব্দুল জব্বার, উপজেলা কৃষি অফিসার শারমিন আক্তার ও ইউআরসি জামাল হোসেন। উথলী: জীবননগর উপজেলার উথলী ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় উথলী ডিগ্রি কলেজ, উথলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সেনেরহুদা জান্নাতুল খাদরা দাখিল মাদরাসা, সিংনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সেনেরহুদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উথলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিজয় শোভাযাত্রা, রচনা প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ, শহিদদের স্মরণে আলোচনা ও তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। উথলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আকরাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উথলী ডিগ্রি কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উথলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আব্দুল মান্নান পিল্টু, সদস্য হাজি মো. রবিউল হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান মিল্টু, সেলিম হোসেন, লুৎফর রহমান লুতু প্রমুখ। এদিকে, মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে জান্নাতুল খাদরা দাখিল মাদরাসায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আবু জাফর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদরাসার সহ-সুপার মাওলানা মো. ফয়জুল আহমেদ, মাদরাসার জমিদাতা সদস্য মোহাম্মদ মাহাবুবুর সালাম প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা। অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা করেন মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মো. মহিউদ্দীন। হাসাদহ: জীবননগর উপজেলার হাসাদহ সানফ্লাওয়ার কিন্টার গার্ডেনে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন ও বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সানফ্লাওয়ার কিন্টার গার্ডেনের প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার জেলা পরিষদের সদস্য শফিকুল আলম নান্নু। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি রেজাউল হক ডাবলু, শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম, ওয়াদুদ, মিলন, সাংবাদিক আল আমিন প্রমুখ। অপর দিকে, হাসাদাহ ইউনিয়নের বকুন্ডিয়া গ্রামবাসীর উদ্যোগে সকল শহিদদের স্মরণে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত দোয়ার অনুষ্ঠানে এলাকার শতাধিক নেতা-কর্মীসহ স্থানীয় জনগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন গোলাম মোস্তফা। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা নেতা টলো বিশ্বাস। আন্দুলবাড়ীয়া: জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মহান বিজয় দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, আন্দুলবাড়ীয়া সাহিত্য পরিষদ, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদ, আন্দুলবাড়ীয়া বাজার কমিটি, আন্দুলবাড়ীয়া কলেজ, আন্দুলবাড়ীয়া কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজ, আন্দুলবাড়ীয়া বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আন্দুলবাড়ীয়া বহুমুখী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, মাদরাসাসহ সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে পৃথকভাবে নানা কর্মসূচি পালন করেন। কর্মসূচির মধ্যে ছিল ভোরে প্রভাতফেরী, কুচকাওয়াজ, বিজয় র‍্যালি, আলোচনা সভা, ফাতেহা পাঠ, শহিদ বেদীতে পুষ্প্যমাল্য অর্পণ, বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আজাদ পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ শফিকুল ইসলাম মোক্তার, সাধারণ সম্পাদক শেখ মহিদুল ইসলাম মধু জিহাদী, জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও সাংবাদিক নারায়ণ ভৌমিক, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক মোল্লা আলতাফ হোসেন ফেলা, সাবেক মেম্বার আব্দুর রহমান,যুবলীগ নেতা শেখ সামাদুল ইসলাম প্রমুখ। সকাল সাড়ে ৮টায় আন্দুলবাড়ীয়া সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বিজয় র‍্যালি বের করে আন্দুলবাড়ীয়া বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ শফিকুল ইসলাম মোক্তার। বক্তব্য দেন আন্দুলবাড়ীয়া সাহিত্য পরিষদের সাবেক সভাপতি নারায়ণ ভৌমিক, বর্তমান সভাপতি কবি নাহার শোভা। মেহেরপুর: যথাযোগ্য মর্যাদার মধ্যদিয়ে মেহেরপুরে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটায় আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে দিবসটি সূচনা করা হয়। জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খান জাতীয় সংগীতের সুরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এসময় সেখানে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শন করা হয়। জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খান প্যারেড পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। মহান বিজয় দিবস প্যারেডে বাংলাদেশ পুলিশ, জেল পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, আনসার ও ভিডিপি, বিএনসিসি সরকারি কলেজ, বিএনসিসি সরকারি মহিলা কলেজ, বিএনসিসি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এন্ড বিএম কলেজ, মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের বিএম কলেজ, সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, স্কাউট সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ, সরকারি শিশু পরিবার অংশগ্রহণ করে। এছাড়াও এ এল এম জিয়াউল হক ফ্রেন্ডস ফাউন্ডেশন, মেহেরপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, কবি নজরুল শিক্ষা মঞ্জিল, বাংলাদেশ পুলিশ বাদক দল, বাদক দল মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সরকারি মহিলা কলেজ রোভার দল, মেহেরপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, মেহেরপুর দারুল উলুম আহমদিয়া মাদ্রাসা, জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ, হাজী গোলাম কাওছার গ্লোরিয়াস প্রি-ক্যাডেট একাডেমি, মেহেরপুর কিন্ডার গার্টেন, বিএম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নতুন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড় বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শহীদ ক্যাপ্টেন আশরাফুল হাফিজ খান দৃষ্টিনন্দন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হোলি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ শিশু কানন বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন। পরে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খান শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন ওড়ান এবং মেহেরপুরবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। পরে সেখানে মনোজ্ঞ শরীরচর্চা প্রদর্শন ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এতে কুচকাওয়াজে ‘ক’ গ্রুপে মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের বিএম কলেজ প্রথম, একই বিদ্যালয়ের গার্লস ইন স্কাউট দ্বিতীয়, জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ তৃতীয়, ‘খ’ বিভাগে জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ প্রথম, গ্লোরিয়াস প্রি-ক্যাডেট একাডেমি দ্বিতীয়, বড় বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তৃতীয় পুরস্কার লাভ করেন। এদিকে স্টেডিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত শরীরচর্চা প্রদর্শনী ‘ক’ গ্রুপে সরকারি শিশু পরিবার প্রথম, মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় গার্লস গাইড দ্বিতীয়, মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের স্কাউট তৃতীয় পুরস্কার লাভ করেন। খোয়া বিভাগে বড় বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রথম, গ্লোরিয়াস প্রি-ক্যাডেট একাডেমি দ্বিতীয় এবং কালেক্টরেট স্কুল তৃতীয় পুরস্কার লাভ করেন। পরে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খান বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এসময় পুলিশ সুপার মো. রাফিউল আলম, জেলা ও দায়রা জজ মো. ওয়ালিউর রহমান, মেহেরপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম রসুল, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মৃধা মো. মুজাহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লিংকন বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হুদা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম, অপু সারোয়ার, পিপি পল্লব ভট্টাচার্য, জেলা কমান্ড্যান্ট আনসার ও ভিডিপি রাকিবুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম, জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী, প্রফেসর হাসানুজ্জামান মালেক, সদর থানার ওসি শাহা দারাসহ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে বিজয় শোভাযাত্রা বের করা হয়। জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খানের নেতৃত্বে বিজয় শোভাযাত্রাটি মেহেরপুর পৌর কমিউনিটি সেন্টার থেকে শুরু করে বাদ্যের তালে তালে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মেহেরপুর স্টেডিয়াম এ গিয়ে শেষ হয়। বিজয় শোভাযাত্রার অগ্রভাগে মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও বিএম কলেজের ছাত্রীদের সমন্বয়ে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী লেখা শোভাযাত্রার আকর্ষণ বৃদ্ধি করে। বিজয় শোভাযাত্রায় অন্যদের মধ্যে পুলিশ সুপার মো. রাফিউল আলম, মেহেরপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম রসূল, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মৃধা মো. মুজাহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লিংকন বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হুদা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম, অপু সারোয়ার, পিপি পল্লব ভট্টাচার্য, জেলা কমান্ড্যান্ট আনসার ও ভিডিপি রাকিবুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম, জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী, প্রফেসর হাসানুজ্জামান মালেক, সদর থানার ওসি শাহা দারাসহ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণ ছাড়াও মেহেরপুরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কয়েক হাজার মানুষ বিভিন্ন সাজে সজ্জিত হয়ে বিজয় শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। অপর দিকে, মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে মেহেরপুর পৌসভার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য বিজয় শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের এই দিনে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বাঙালি জাতির ভাগ্যাকাশে উদিত হয়েছিল বিজয়ের সূর্য। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মেহেরপুর পৌর কার্যালয় থেকে এ বিজয় শোভাযাত্রা বের করা হয়। পৌর মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটনের নেতৃত্বে বাদ্যের তালে তালে বর্ণিল এ শোভাযাত্রার অগ্রভাগে পৌর মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন জাতীয় পতাকা হাতে, তার পিছনে মেহেরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও বিএম কলেজের ছাত্রীরা সবুজ শাড়ি পড়ে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে র‌্যালির শোভাবর্ধন করে। এ বর্ণাঢ্য বিজয় শোভাযাত্রায় অন্যদের মধ্যে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদি হাসান, প্যানেল মেয়র শাহিনুর রহমান রিটনসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন। অন্যদিকে, বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে মেহেরপুর জেলা বিএনপির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মেহেরপুর জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মাসুদ অরুণের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু করে মেহেরপুর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মেহেরপুর কলেজস্থ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তারা। এসময় সেখানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, মেহেরপুর জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এদিকে, বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মেহেরপুর পুলিশের উদ্যোগে পুলিশের কর্মরত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মেহেরপুর পুলিশ লাইনস ড্রিলশেড মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পুলিশ সুপার মো. রাফিউল আলমের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সিআইডি পুলিশ সুপার মামুন আল আনসারী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম, অপু সরোয়ার, বীর মুক্তিযোদ্ধা খাজা মিয়া প্রমুখ। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। মুজিবনগর: মুজিবনগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপিত হয়েছে। প্রভাতের শুরুতে তোপধ্বনি পর সকাল ৭টায় মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইউএনও সুজন সরকার ও উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দীন বিশ্বাস। এসময় উপস্থিত ছিলেন মুজিবনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মেহেদী রাসেল, মুক্তিযোদ্ধা আহসান আলী খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউদ্দীন বিশ্বাস, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রফিকুল ইসলাম তোতা, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি অফিসার মেরাজুল ইসলাম, টুরিস্ট পুলিশ, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কামরুল হাসান চাঁদু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হেলাল উদ্দীন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বেলাল হাসান বিপ্লব, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, উপজেলা জাতীয় পার্টি (জেপি) সাধারণ সম্পাদক উজ্জল হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান, উপজেলা অফিসার্স ক্লাব, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মুজিবনগর সরকারি শিশু পরিবার, দারিয়াপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোস্তাকিম হক খোকন, বাগোয়ান ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান মধু, মোনাখালী ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম গাইন, মহাজনপুর ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউর রহমান নান্নু, উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মহাসিন আলী ও উপজেলা ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মমতাজ উদ্দীন। এছাড়াও একে একে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষে থেকে শহিদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলা পরিষদ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা যৌথভাবে উত্তোলন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান জিউদ্দীন বিশ্বাস, নির্বাহী অফিসার সুজন সরকার ও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী রাসেল। পরে কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে পুলিশ, বিএনসিসি, আনসার ও ভিডিপি, বাংলাদেশ স্কাউট, রোভার স্কাউট, কাব গালস্ গাইড, স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীরা ডিসপ্লে¬ প্রদর্শন করে। বেলা ১১টায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন সরকার। সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম মোল্লা, বাগোয়ান ইউপি চেয়ারম্যান আয়ূব হোসেন প্রমুখ।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত