রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

মহেশপুরে কেন্দ্রের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

  • আপলোড তারিখঃ ১২-১১-২০২১ ইং
মহেশপুরে কেন্দ্রের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে ছিল কঠোর নিরাপত্তা। কোনো অরাজকতা সৃষ্টি হয়নি। অনেকটা উৎসকমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। তবে মেম্বার প্রার্থীদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে নাটিমা ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের বাইরে ও আজমপুর ইউনিয়নের গৌরীনাথপুর কেন্দ্রে বিকেল পৌনে চারটার দিকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করে। এই দুই কেন্দ্রে ভোট শুরুর আগ থেকেই উত্তেজনা চলে আসছিল। এদিকে, এসবিকে ইউনিয়নের শাহবাজপুর ভোট কেন্দ্রের বাইরে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে। এতে কাকন আতিয়ার ও কেষ্ট নামে ৩ জন আহত হন। জাল ভোট প্রদানের সময় ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম শাহিনের নির্দেশে জাহানারা নামে এক যুবতীকে আটকে রাখা হয়। মহেশপুরের সীমান্তবর্তী মুন্ডুমালা যুব কৃষি ক্লাব ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের আসতে বাধা দেওয়াসহ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নৌকা ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়। কোটচাঁদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাইমিনুল ইসলাম জানান, উভয় পক্ষ ইটপাটকেল ছুড়ে একে অপরকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছিল। এসময় কয়েকজন আহত হয়। পরে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহেশপুরে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ইউপি ভোট সম্পন্ন হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। এদিকে, ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নৌকা মার্কার ৬ জন ও বিদ্রোহী ৬ জন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। বেসরকারি ফলাফলে এসবিকে ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আরিফান হাসান চৌধুরী নুথান দ্বিতীয়বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। ফতেপুর ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম হায়দার নাণ্টু, পান্তাপাড়া ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম স্বপন, স্বরুপপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মিজানুর রহমান, শ্যামকুড় ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী জামিরুল ইসলাম, নেপা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সামসুল হক মৃধা, কাজীরবেড় ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী মো. ইয়ানবী, বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী নাজমুল হুদা জিণ্টু, যাদবপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহম্মেদ, নাটিমা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবুল কাশেম মাস্টার, মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আমিনুর রহমান ও আজমপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাহাজান আলী নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে ১২টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৮ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৪ শ ৭ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১১৬টি কেন্দ্রে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮২৯ জন ভোটার ছিলেন। নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৩ প্লাটুন বিজিবি, ১১৬টি কেন্দ্রে পুলিশ ৫৮০ জন। এছাড়াও প্রতি ইউনিয়নে পুলিশের স্টাইকিং ফোর্স, আনসার সদস্যসহ ১২টি ইউনিয়নে ১ হাজার ৯৭২ জন সদস্য ছিলেন। প্রতিটি ইউনিয়নে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে র‌্যাবের টহল টিম ছিল।


কমেন্ট বক্স
notebook

চুয়াডাঙ্গায় সুজনের জেলা কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত