শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

মেহেরপুরে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে সফল চাষিরা

  • আপলোড তারিখঃ ০১-১০-২০২১ ইং
মেহেরপুরে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে সফল চাষিরা

মেহেরপুরে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে সফল চাষিরা প্রতিবেদক, মেহেরপুর: মেহেরপুরে গ্রীস্মকালীন পেঁয়াজ চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন চাষিরা। পেঁয়াজ চাষ হচ্ছে শীত মৌসুমে শুকনো মাটিতে। সেই পেঁয়াজ খেত ধান আবাদের মতো কাঁদা তৈরি করে পেঁয়াজ চারা রোপণ করা হচ্ছে। এ বছর খরিফ-২ মৌসুমে মেহেরপুর এলাকায় ৪০ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের চাষ হবে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আশা করছে। বর্তমানে কৃষকরা চারা উৎপাদন ও মূল জমিতে চারা রোপণে সময় অতিবাহিত করছে। এখন জেলায় কৃষিতে গ্রীষ্মকালীন বারি পেঁয়াজ-৫ চাষ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। কৃষকরা জানান, তারা আই.এফ.এ.ডি (ওঋঅউ) ও পিকেএসএফ এর আর্থিক সহায়তা এবং ওয়েভ ফাউন্ডেশনের কারিগরি সহায়তায় মেহেরপুরে পরীক্ষামূলক গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ শুরু হয় চার বছর আগে। মেহেরপুর সদর উপজেলার ইছাখালি গ্রামের চাষী গোলাম মোস্তফা জানান, ২০ বিঘা জমিতে গ্রীষ্মকালীন নতুন এই পেঁয়াজ চাষ করে লাভবান হয়েছেন। ৯৫ থেকে ১১০ দিনে এই পেঁয়াজ বিঘায় ১২০ থেকে ১৫০ মণ উৎপাদন হয়। গ্রীষ্মকালীন এই পেঁয়াজ প্রতি বিঘায় চাষ করতে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়। আর পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ হাজার টাকায়। মেহেরপুর শুভরাজপুর গ্রামের কৃষক ওহাব আলী জানান, তিনি ৫ বিঘা বারি পেঁয়াজ -৫ গ্রীষ্মকালীন নতুন পেঁয়াজের চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকুলে হওয়ায় এই পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকি কম। নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরে এই পেঁয়াজ উত্তোলন করা যায়। ফলে চাষীরা সারা বছর পেঁয়াজ চাষ ও সংরক্ষণ করতে পারবেন। এতে পেঁয়াজের ঘাটতি যেমন কমবে, তেমনি চাষিরাও সারা বছর ন্যায্য দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবেন। ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ নাসির উদ্দীন আহম্মেদ জানান, জেলায় বিভিন্ন চাষীদের মাধ্যমে ২৫ হেক্টর জমিতে বারী পেঁয়াজ-৫ আবাদ করা হয়েছে। ভাল ফলন হবে এবং চাষীরা লাভবান হবে। রাজশাহী বিশ্ব বিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম, মনজুর হোসেন জানান, যেহেতু দেশে পেঁয়াজের ঘাটতি আছে সেই জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা ইন্সটিটিউট উদ্ভাবন করেছে উচ্চ ফলনশীল বারী পেঁয়াজ-৫। এটি একটি পরীক্ষিত জাত যা সারা বছর আবাদ করা যাবে। এই জাতের পেঁয়াজ চাষ যদি সারা দেশে সম্প্রসারিত করা যায় তবে দেশের পেঁয়াজ ঘাটতি থাকবে না। মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ স্বপন কুমার খাঁ বলেন, দেশের পেঁয়াজ ঘাটতি কমাতে জেলায় এই জাতের পেঁয়াজ চাষ বৃদ্ধির লক্ষে চাষীদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।



কমেন্ট বক্স
notebook

আলমডাঙ্গায় ‘নিমগ্ন পাঠাগারে’ সেমিনার অনুষ্ঠিত