বোনের শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার বায়না, অভিমানে মাদ্রাসাছাত্রের আত্মহত্যা
- আপলোড তারিখঃ
২৩-০৯-২০২১
ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আলমডাঙ্গায় অভিমান করে সোহাগ হোসেন (১২) নামের এক মাদ্রাসাছাত্র আত্মহত্যা করেছে। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর পূর্বে পরিবারের সদস্যরা বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। শিশু সোহাগ আলমডাঙ্গা উপজেলার আসমানখালি ইউনিয়নের মোচাইনগর গ্রামের নওদাপাড়ার নুরুজ্জামানের ছেলে ও মোচাইনগর মাদ্রাসার ছাত্র।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকালে সোহাগের মা এক অসুস্থ রোগীকে দেখতে তাঁর বোনের শ্বশুর বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এসময় সোহাগও মায়ের সঙ্গে যাওয়ার জন্য বায়না ধরে। কিন্তু সোহাসের মা তাকে না নিয়ে চলে গেলে মায়ের ওপর অভিমান করে সে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় শাড়ির পাড় দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার অপচেষ্টা করেন। এসময় সোহাগের প্রতিবেশী দাদী তার বাড়িতে আসলে ঘরের মধ্যে সোহাগকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে সোহাগকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সোহাগকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, পরিবারের সদস্যরা দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিশুটিকে জরুরি বিভাগে নেয়। মায়ের ওপর অভিমান করে সে গলায় ফাঁস দিয়েছিল বলে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে জানান। জরুরি বিভাগ থেকে শিশুটিকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা রাখেন। এদিকে, সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। জরুরি বিভাগের ডা. সাজিদ হাসান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
কমেন্ট বক্স