রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

মেহেরপুর গাংনীর বিএন কলেজের অধ্যক্ষকে কলেজে প্রবেশে বাধা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • আপলোড তারিখঃ ৩১-০৮-২০২১ ইং
মেহেরপুর গাংনীর বিএন কলেজের অধ্যক্ষকে কলেজে প্রবেশে বাধা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
গাংনী অফিস: মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলা ভাটপাড়া (কুঠি) বিএন কলেজের অধ্যক্ষ আ ফ ম আলিমুজ্জামানকে কলেজে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে শিক্ষকদের অপর একটি পক্ষ। কলেজ প্রবেশে বাধা দিতে গিয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও ছাত্র-ছাত্রীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ আ ফ ম আলিমুজ্জামান। গতকাল সোমবার সকালে কলেজ প্রাঙ্গণে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমি কলেজের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই অধ্যক্ষ হিসেবে আছি। আমাকে কোনো প্রকার কারণ দর্শানো নোটিশ ছাড়াই নিয়ম বহির্ভুতভাবে দুই দফা সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে সভাপতি হন সাহারবাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক। বর্তমান সভাপতি আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগসমূহ তদন্ত করে প্রমাণ না পাওয়ায় গত ১২ এপ্রিল আমাকে সপদে বহাল রাখেন। অদ্যবধি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মাহবুব-উল-আলম আমার কাছে দায়িত্ব অর্পণ করেনি। বারবার তাগাদা দেওয়ার সত্বেও তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি। এমতাবস্থায় কলেজের কাজের স্বার্থে আমার ও সভাপতির যৌথ স্বাক্ষরে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে কলেজের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করি। ২০২১ সালে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের জন্য যশোর শিক্ষা বোর্ডের সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আমাকে পরপর দুই দিন মোবাইল ফোনে ছাত্র-ছাত্রীদের ফরম পূরণের জন্য বলেন। কিন্তু কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ কিছু শিক্ষক আমাকে কলেজের চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং কলেজের সকল তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানায়। আমি গত ২৯ আগস্ট এলাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের তথ্য পাওয়ার জন্য মাইকিং করি। কিছু সংখ্যাক শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে উপবৃত্তির অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগ আনেন। বিএন কলেজ প্যাডে আমার বিরুদ্ধে ৫, লাখ ৮৪ হাজার টাকা ও ২০১৯ সালের অক্টোবর ও নভেম্বর দুই মাসের ব্যয়কৃত ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৭০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগটি সর্ম্পূণ মিথ্যা। এ সংক্রান্ত তথ্য প্রমাণ আমি পেশ করেছি। কলেজের সাবেক সভাপতি সেলিনা মমতাজ কাকলি ও অভ্যান্তরীন আয়-ব্যয় নিরীক্ষণ কমিটির প্রমাণপত্র প্রমাণ করে যে অভিযোগটি সত্য নয়।’ সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘গত ২০ বছর বিনা পারিশ্রমিকে অধ্যক্ষ হিসেবে বিএন কলেজের দায়িত্ব সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পালন করে আসছি। উক্ত সময়ে আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। এখন এমপিওভুক্তির চেষ্টা চলছে, এই সময় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বিভিন্ন অভিযোগ করা হচ্ছে। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। কলেজকে সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আপনাদের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’


কমেন্ট বক্স
notebook

জীবননগরের কৃতি সন্তান এসআই আশরাফুল আলম পেলেন পিপিএম পদক