গাংনীতে প্রকাশ্যে বোমা হামলা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
- আপলোড তারিখঃ
২৪-০৮-২০২১
ইং
গাংনী অফিস:
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামে প্রকাশ্যে বোমা বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাজারে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্ত করে সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেহেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ও সাহারবাটি গ্রামের বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম টুটুল। গতকাল সোমবার বিকেলে সাহারবাটি ক্লাবপাড়া মোড়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে রাকিবুল ইসলাম টুটুল তাঁর বক্তব্যে বলেন, চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল সাহারবাটি গ্রামে প্রকাশ্যে বোমা হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে টুটুল পক্ষের ২৬ জনকে আসামি করা হয়। মামলার সকল আসামি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। মামলাটি তদন্ত যাতে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ হয়, সে ব্যাপারে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বোমা হামলার স্পট চারচারা বাজারে স্থাপিত সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করার দাবিও জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করায় প্রতিপক্ষরা ঈর্শ¦ানিত হয়ে নানা অপবাদ ছড়ানো ছাড়াও মিথ্যা মামলা করছেন আমিসহ আমার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। তা ছাড়া ২০২০ সালে নভেম্বর মাসে আমাকে ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এ ব্যাপারে মেহেরপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। যেহেতু ভোটের ঘোষণা দিয়ে প্রাণহানির আশঙ্কা করছি, তাই ন্যায়বিচার প্রাপ্তির জন্য ও নিজের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে আদালতের স্মরনাপন্ন হয়। যার মামলা নম্বর চিআর-৩৫৮/২০তাং। এ মামলায় সাহারবাটি গ্রামের আমানুরসহ ৮ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় ৮ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি বর্তমানে জেলা গোয়েন্দা বিভাগের ওপর তদন্তভার রয়েছে। ২০১৯ সাল থেকেই তাকে হত্যার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন রাকিবুল ইসলাম টুটুল।
তিনি আরও জানান, ‘আমার তরুণ কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য একজন মুক্ষী রানীকে ভাড়া করে মিথ্যা কথা বলানোর চেষ্টা করে প্রতিপক্ষরা। সে বিষয়ে গাংনী থানার তৎকলীণ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওবাইদুর রহমান তাদের থানায় নিয়ে আসেন। পরে তদন্ত করে ওই সকল তরুণ যুবকদের তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। সেখানেও মিথ্যার পরাজয় হয়ে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’ সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
কমেন্ট বক্স